শুক্রবার , ২০ জুলাই ২০১৮
মূলপাতা » শিক্ষাঙ্গণ » ‘জাতীয় অর্থনীতিতে শিল্পখাতের অবদান ৩২ শতাংশ’

‘জাতীয় অর্থনীতিতে শিল্পখাতের অবদান ৩২ শতাংশ’

জাতীয় অর্থনীতিতে শিল্পখাতের অবদান প্রায় ৩২ শতাংশ ও শিল্প শ্রমশক্তির পরিমাণ ২০ শতাংশে উন্নীত হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু।

২০২১ সাল নাগাদ মধ্যম আয়ের এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত বাংলাদেশ বিনির্মাণের লক্ষ্য অর্জনে বিসিকের কার্যক্রম ঢেলে সাজানোর তাগিদ দেন তিনি।

রোববার রাজধানীর বিসিআইসি মিলনায়তনে বিসিক শ্রমিক-কর্মচারি ইউনিয়নের নবনির্বাচিত পরিষদের অভিষেক উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন মন্ত্রী।

বিসিক শ্রমিক-কর্মচারি ইউনিয়নের (সিবিএ) নবনির্বাচিত সভাপতি মোঃ কামরুল হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বিসিক চেয়ারম্যান আহমেদ হোসেন খান, জাতীয় শ্রমিক লীগের কেন্দ্রিয় সভাপতি আলহাজ্ব শুক্কুর মাহমুদ, সাধারণ সম্পাদক মোঃ সিরাজুল ইসলাম, বিসিক কর্মকর্তা সমিতির সাধারণ সম্পাদক হাফিজুর রহমান খান, সিবিএর সাধারণ সম্পাদক নজির আহমেদ ভূঁইয়া, সাংস্কৃতিক সম্পাদক শেখ আলী আশরাফ বক্তব্য রাখেন।

অনুষ্ঠানে শিল্পমন্ত্রী ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পখাতের উন্নয়নে বিসিকের গুরুত্বপূর্ণ অবদানের কথা তুলে ধরে বলেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে স্থাপিত ৭৪টি বিসিক শিল্পনগরিতে এ পর্যন্ত ৪ হাজার ৬শ’ ২৬ টি শিল্প কারখানা গড়ে ওঠেছে। এর মধ্যে রপ্তানিমুখী শিল্প-কারখানা ৯শ’ ০৩টি। এসব শিল্প কারখানায় বিনিয়োগের পরিমাণ প্রায় ১৯ হাজার কোটি টাকা।

২০১৩-১৪ অর্থ বছরে শিল্পনগরিগুলোতে ৪২ হাজার ৫০৯ কোটি টাকার পণ্য সামগ্রী উৎপাদিত হয়েছে, যার মধ্যে ২৩ হাজার ৭শ’ ৪৬ কোটি টাকার পণ্য রপ্তানিযোগ্য। বর্তমানে বিসিক শিল্পনগরিগুলোতে ৫ লাখ ২৬ হাজারের বেশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে। গত অর্থ বছরে সরকার বিসিক শিল্পনগরির কারখানাগুলো থেকে প্রায় আড়াই হাজার কোটি টাকার রাজস্ব পেয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

আমির হোসেন আমু বলেন, বিসিক শিল্প-কারখানাগুলো ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্পের বিকাশের পাশাপাশি ভারি শিল্পের প্রসারেও বিশেষ ভূমিকা রাখছে। তিনি শিল্পায়নের লক্ষ্য অর্জনে বিসিকের কর্মকর্তা-কর্মচারিদের অর্জিত দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর পরামর্শ দেন। তিনি শিল্পখাতে অগ্রাধিকার প্রকল্পগুলোর মধ্যে সাভারের চামড়া শিল্পনগরি ও মুন্সিগঞ্জের গজারিয়ায় বাস্তবায়নাধীন এপিআই শিল্পপার্কের কার্যক্রম দ্রুততার সঙ্গে সমাপ্ত করতে বিসিকের সকল কর্মকর্তা-কর্মচারিদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। প্রকল্প দু’টি বাস্তবায়িত হলে আমদানিখাতে বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয়ের পাশাপাশি রপ্তানি আয় বাড়বে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

অনুষ্ঠানে বিসিক শ্রমিক-কর্মচারি ইউনিয়নের নেতারা অবিলম্বে বিসিক প্রবিধানমালা চূড়ান্তকরণ ও শূণ্য পদে জনবল নিয়োগের দাবি জানান। তারা যোগ্যতার ভিত্তিতে বিভিন্ন পদে দ্রুত পদোন্নতি দেয়ারও দাবি তুলে ধরেন। এসব দাবি বাস্তবায়িত হলে, বিসিকের প্রাতিষ্ঠানিক কার্যক্রমে গতি আসবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।


আপনার মতামত

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*


Email
Print