শুক্রবার , ২০ জুলাই ২০১৮
মূলপাতা » ক্রিকেট » ছক্কা মেরে সৌম্যর সেঞ্চুরি

ছক্কা মেরে সৌম্যর সেঞ্চুরি

SOYMOহোয়াইটওয়াশের লজ্জা এড়াতে বাংলাদেশের বিপক্ষে তিন ম্যাচ সিরিজের শেষ ওয়ানডেতে মুখোমুখি হয় পাকিস্তান। প্রথমে ব্যাট করে ৪৯ ওভারে সবকটি উইকেট হারিয়ে ২৫০ রান করতে সক্ষম হয় আজহার আলীর দল। জয়ের জন্য ২৫১ রানের লক্ষ্যমাত্রায় ব্যাট করছে বাংলাদেশ।

এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত  ৩৫ ওভার শেষে ২ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশের সংগ্রহ ১৯৭ রান। ক্রিজে আছেন সৌম্য সরকার (১০১) ও মুশফিকুর রহিম (২২)।

লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে দারুণ সূচনা করেন দুই উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান সৌম্য সরকার ও তামিম ইকবাল। ৬৩ বলে ৬ চার ও ১ ছয়ে ফিফটি পূর্ণ করেন সৌম্য। এটি ওয়ানডেতে তার দ্বিতীয় ফিফটি, আর পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথম।

সৌম্যর পর ফিফটি আদায় করে নেন তামিম ইকবাল। ৬২ বলে ৬ চার ও ১ ছয়ে ফিফটি পূর্ণ করেন বাংলাদেশের এই ড্যাশিং ওপেনার।  তবে এই ফিফটিকে আর সেঞ্চুরিতে পরিণত করতে পারেননি তিনি। ব্যক্তিগত ৬৪ রানের মাথায় জুনায়েদ খানের বলে এলবিডব্লিউর ফাঁদে পড়েন তামিম। বিদায়ের আগে সৌম্যর সঙ্গে ১৪৫ রানের জুটি গড়েন তিনি।  এরপর মাহমুদউল্লাহ এসে বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। দলীয় ১৫৪ রানে জুনায়েদ খানের বলে বোল্ড হয়ে যান।

মাহমুদউল্লাহ বিদায় নিলে মাঠে নামেন মুশফিক রহিম। সৌম্য সরকারকে যোগ্য সঙ্গ দেন তিনি। পাকিস্তানের অধিনায়ক আজহার আলীর বলে ছক্কা হাঁকিয়ে ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরিটা আদায় করে নেন সৌম্য। ৯৪ বল খেলে ১১টি চার ও ৪ টি ছক্কায় শতরান পূর্ণ করেন বাংলাদেশ ক্রিকেটের তরুণ ওপেনার।

এর আগে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে পাকিস্তানকে ভালো সূচনা এনে দেন দুই ওপেনার আজহার আলী ও সামি আসলাম। এদিন ওয়ানডে অভিষেক হয় সামির। অধিনায়ক আজহারকে নিয়ে দলকে এগিয়ে নিতে থাকেন তিনি।

উইকেটের সন্ধানে ইনিংসের ষষ্ঠ ওভার থেকে নাসির হোসেনকে আক্রমণে নিয়ে অাসেন বাংলাদেশ অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা। ইনিংসের ১৮তম ওভারে দলকে সফলতা এনে দেন নাসির। সামিকে ফিরিয়ে ৯১ রানের জুটি ভাঙেন তিনি। মুশফিকের গ্লাভসবন্দি হওয়ার আগে ৪৫ রান করেন সামি

 

এরপর দলীয় ১০৫ রানে মোহাম্মদ হাফিজকে বোল্ড করেন আরেক স্পিনার আরাফাত সানী। এদিনও ব্যর্থ হাফিজ, করেন ৪ রান। আগের ম্যাচেও ৪ রান করেছিলেন তিনি। আর প্রথম ম্যাচে ‘ডাক’ মেরেছিলেন।

তবে তৃতীয় উইকেটে ৯৮ রানের জুটি গড়ে পাকিস্তানকে বড় সংগ্রহের দিকে এগিয়ে নেন আজহার আলী ও হারিস সোহেল। ১১২ বলে ১০টি চারের মারে ১০১ রান করে সাকিবের বলে সরাসরি বোল্ড হন আজহার। কিছুক্ষণ পরই দলীয় ২০৭ রানের মাথায় সাজঘরে ফেরেন সোহেলও। ৫৮ বলে ৫২ রান করার পর মাশরাফির শিকারে পরিণত হন তিনি।

 

সাকিবের ব্যক্তিগত দ্বিতীয় শিকার হন মোহাম্মদ রিজওয়ান (৪)। এরপর পাকিস্তানের ব্যাটসম্যানরা যোগ দেন আসা-যাওয়ার মিছিলে। একে একে বিদায় নেন ফাওয়াদ আলম (৪), ওয়াহাব রিয়াজ (৭), উমর গুল (০), সাদ নাসিম (২২) ও জুনায়েদ খান (৪)।

 

বাংলাদেশের পক্ষে সমান দুটি করে উইকেট নেন মাশরাফি বিন মুর্তজা, সাকিব আল হসান, রুবেল হোসেন  ও আরাফাত সানী। ১টি উইকেট নিয়েছেন নাসির হোসেন। 

মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আজ দুপুর আড়াইটায় শুরু হয়েছে ম্যাচটি। এদিন বাংলাদেশের চতুর্থ ক্রিকেটার হিসেবে দেড়শ’ ওয়ানডে খেলতে নেমেছেন সাকিব আল হাসান। আগের ম্যাচে তৃতীয় ক্রিকেটার হিসেবে এই কীর্তি গড়েছেন মাশরাফি বিন মুর্তজা।


আপনার মতামত

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*


Email
Print