বৃহস্পতিবার , ১৯ জুলাই ২০১৮
মূলপাতা » অন্যান্য » কামারুজ্জামানের ফাঁসি কার্যকর

কামারুজ্জামানের ফাঁসি কার্যকর

indexমুক্তিযুদ্ধকালে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মুহাম্মদ কামারুজ্জামানের ফাঁসি শনিবার রাত ১০টা ৩০ মিনিটে কার্যকর করা হয়েছে। জামায়াত নেতা আবদুল কাদের মোল্লার পর তিনিই দ্বিতীয় ব্যক্তি যার যুদ্ধাপরাধে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হলো। এর মধ্য দিয়ে পরিসমাপ্তি ঘটলো তাকে গ্রেফতার ও বিচারের প্রায় সাড়ে চার বছরের দীর্ঘ পরিক্রমারও।
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলা হওয়ার আগেই গ্রেফতার করা হয়েছিল কামারুজ্জামানকে।
২০১০ সালের ১৩ জুলাই একটি হত্যা মামলায় তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এরপর একই বছরের ২ আগস্ট তাকে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে গ্রেফতার দেখানো হয়।
গ্রেফতার দেখানোর পর থেকে কামারুজ্জামানের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের তদন্ত শুরু করে যুদ্ধাপরাধের ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা। তাদের তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে ২০১১ সালের ১৮ ডিসেম্বর রাষ্ট্রপক্ষ কামারুজ্জামানের বিরুদ্ধে প্রথম ফরমাল চার্জ ট্রাইব্যুনালে দাখিল করে। তবে ট্রাইব্যুনালের আপত্তির পর রাষ্ট্রপক্ষ ২০১২ সালের ১৫ জানুয়ারি পুনরায় ফরমাল চার্জ দাখিল করে।
 একই বছরের ৩১ জানুয়ারি রাষ্ট্রপক্ষের ফরমাল চার্জ আমলে নেয় যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১। এরপর ট্রাইব্যুনাল-১ থেকে মামলাটি নব গঠিত ট্রাইব্যুনাল-২ এ স্থানান্তর করা হয় ঐ বছরের ১৬ এপ্রিল। পরবর্তীতে ট্রাইব্যুনাল-২ এ নতুন করে অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানি হয়।
উভয়পক্ষের শুনানি শেষে ২০১২ সালের ৪ জুন ট্রাইব্যুনাল কামারুজ্জামানের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের সাতটি অভিযোগ গঠন করে যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২।

আপনার মতামত

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*


Email
Print