শুক্রবার , ১৭ আগস্ট ২০১৮
মূলপাতা » ফুটবল » মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন ২০১৬ : প্রার্থিতার ঘোষণা টেড ক্রুজের

মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচন ২০১৬ : প্রার্থিতার ঘোষণা টেড ক্রুজের

টেড ক্রুজের২০১৬ সালে অনুষ্ঠেয় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রিপাবলিকান পার্টি থেকে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন টেক্সাসের সিনেটর টেড ক্রুজ। প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী হওয়ার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা তিনিই প্রথম দিলেন।

 

এক টুইটার বার্তায় টেক্সাসের ডানপন্থি রিপাবলিকান নেতা টেড ক্রুজ জানিয়েছেন, ‘আমি প্রেসিডেন্ট পদে লড়তে যাচ্ছি। আশা করি আপনাদের সমর্থন পাব।’

 

৪৪ বছর বয়সি টেড ক্রুজ ২০১২ সালে সিনেটর নির্বাচিত হন। প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার প্রশাসনের কঠোর সমালোচক তিনি।

 

তবে নানা মতবিরোধ নিয়ে নিজ দল রিপাবলিকানের নেতাদের সঙ্গে তার দূরত্ব চোখে পড়ার মতো। বাজেট সংকটে ওবামা সরকারের অচলাবস্থা এবং গুরুত্বপূর্ণ আরো কয়েকটি ইস্যুতে তিনি ভিন্নমত পোষণ করে বিতর্কের সুর দীর্ঘ করেছেন। এই অবস্থায় তিনিই প্রথম আনুষ্ঠানিকভাবে প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিলেন।

 

সোমবার টুইটারে পোস্ট করা ৩০ সেকেন্ডের ভাষণে যুক্তরাষ্ট্রকে সংহত করার জন্য তরুণ রিপাবলিকানদের সমর্থন চেয়েছেন টেড ক্রুজ। তিনি বলেন, ‘এখন সত্য প্রকাশের এবং চ্যালেঞ্জ জানানোর সময়, আমেরিকানরা যা সব সময়ই করে থাকে।’

 

‘আমি আমেরিকা ও এর জনগণকে বিশ্বাস করি। আমি বিশ্বাস করি আমরা একসঙ্গে দাঁড়াতে পারব এবং আমাদের প্রতিশ্রুতি সংহত করতে পারব।’

 

‘সাহসী রক্ষণশীলদের নতুন প্রজন্ম আমেরিকাকে আবারও সবার ওপরে নিয়ে যাবে এবং আমি সেই যুদ্ধে আপনাদের সঙ্গে থেকে নেতৃত্ব দিতে প্রস্তুত।’

 

টেড ক্রুজের উপদেষ্টা গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, নির্বাচনী তহবিলের জন্য ৪০ থেকে ৫০ মিলিয়ন ডলার সংগ্রহ করতে চান তিনি। এ জন্য সিনেটর নির্বাচনে যারা তাকে সাহায্য করেছিলেন, তাদের ওপরই বেশি নির্ভর করছেন তিনি।

 

টেড ক্রুজ প্রথম আনুষ্ঠানিকভাবে প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিলেও প্রার্থী হওয়ার দৌড়ে নামার ইঙ্গিত দিয়ে রেখেছেন বুশ পরিবারের সন্তান জেব বুশ, উইসকনসিন অঙ্গরাজ্যের গভর্নর স্কট ওয়াকার এবং সিনেটর রন্ড পল ও মার্কো রুবিও।

 

এদিকে ডেমোক্রেটিক পার্টি থেকে প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী হওয়ার আশা জিইয়ে রেখেছেন প্রাক্তন পরাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন।

 

উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রার্থী হতে গেলে প্রথমে দলীয় প্রার্থীদের মধ্যে জনপ্রিয়তার লড়াই হয়। এই লড়াইয়ে যিনি জয়ী হন, তাকে দল থেকে প্রার্থী হওয়ার জন্য চূড়ান্ত মনোনয়ন দেওয়া হয়। সে অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রার্থী হতে অনেক কাঠখড়ি পোড়াতে হয়।

 

তথ্যসূত্র : বিবিসি ও রয়টার্স অনলাইন।


আপনার মতামত

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*


Email
Print