শুক্রবার , ২৭ এপ্রিল ২০১৮
মূলপাতা » প্রধান খবর » বাংলাদেশের লক্ষ্য নিকটে!

বাংলাদেশের লক্ষ্য নিকটে!

feade1ade2e777cf3482bdd3fe9a9e7b-Rubel-reacts-after-Koheli-out-4এমন দুটো সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের বিপক্ষে গেল! এটাকে বাজে আম্পায়ারিং ছাড়া কী হিসেবেই বা অভিহিত করা যায়? প্রথমে সুরেশ রায়নার বিপক্ষে পরিষ্কার এলবি’র সিদ্ধান্তটা দিলেন না আম্পায়ার ইয়ান গোল্ড, পরে রোহিত শর্মার ক্যাচটি বাতিল করা হল ‘নো’ বলের এক সিদ্ধান্তে। প্রথমটায় রিভিউয়ের আশ্রয় নিয়েও ‘ইমপ্যাক্টে’র প্যাঁচে পড়ে সিদ্ধান্তটা গেল বাংলাদেশের বিরুদ্ধেই। অথচ মাশরাফির বলটি কিন্তু ঠিকই ভেঙে দিচ্ছিল রায়নার লেগ স্টাম্প। দ্বিতীয়টায় হতবাক স্টারস্পোর্টসের বিজ্ঞ ধারাভাষ্যকারেরাও।
যে দুই ব্যাটসম্যান বেঁচে গেলেন আম্পায়ারের বদান্যতায়, ভারতীয় ইনিংস শেষে ‘হিরো’ কিন্তু তাঁরাই। রোহিত শর্মার সেঞ্চুরি (১৩৭) আর সুরেশ রায়নার ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়া এক ফিফটিতেই (৫৪) ৩০২ রানের এক স্বাস্থ্যকর সংগ্রহ ভারতের।
এবারের বিশ্বকাপে তেমন একটা ফর্মে ছিলেন না একদিনের ক্রিকেটে অনন্য এক দ্বি-শতকের মালিক রোহিত শর্মা। ফর্মে ফেরার জন্য তিনি বেছে নিলেন দারুণ এক মঞ্চই। তাঁর রানের অনন্য এক সেঞ্চুরিই আজ ভারতীয় ইনিংসের মেরুদণ্ড। কিন্তু কথা তো থেকেই যাচ্ছে। ৯০ রান পর্যন্ত তাঁর ইনিংসটি নিয়ে কোনো কথা নেই। কিন্তু আম্পায়ার গোল্ডের দেওয়া ‘নো’ বলের ওই ভুল সিদ্ধান্তের পর তিনি যে বাকি ৪৭টি রান করলেন তার বিচার বাংলাদেশ কার কাছে চাইতে যাবে? আইসিসি? আজ মেলবোর্নে ‘হাইট নো’র নামে যা ঘটেছে, এজন্য আইসিসির লজ্জা হওয়া উচিত।
টস জিতে ব্যাট করতে নামা ভারতের শুরুটা ছিল ভালোই। ৭৫ রানের উদ্বোধনী জুটির পর প্রথম আঘাত হানেন সাকিব আল হাসান। তাঁর বলে ব্যক্তিগত ৩০ রানে মুশফিকুর রহিমের হাতে স্টাম্পিং হন শিখর ধাওয়ান। অল্প পরেই রুবেলের বলে উইকেটের পেছনে ওই মুশফিকুর রহিমের হাতেই ক্যাচ দেন বিরাট কোহলি। সংক্ষিপ্ত সময়ের ব্যবধানে দুই বিপজ্জনক ব্যাটসম্যানের বিদায় দারুণ উজ্জীবিত করে তুলেছিল বাংলাদেশের বোলারদের। এ সময় দারুণ নিয়ন্ত্রিত বল করে ভারতকে রীতিমতো চেপে ধরেছিল সাকিব, রুবেল, নাসিররা। এই চাপের মধ্যেই তাসকিনের বলে অজিঙ্কা রাহানের ক্যাচ তালুবন্দী করেন সাকিব।
হ্যাঁ, বোলার নাসির হোসেনের নাম নিতেই হচ্ছে। ইনিংসের শুরুতেই রোহিত ও শিখর যখন বাংলাদেশের বোলারদের ওপর শাসন করছিলেন, ঠিক তখনই প্রথম পরিবর্তনে বল করতে এসে নাসির হোসেনই পাল্টা লড়াইয়ের সাহস জুগিয়েছিলেন। তাঁর বোলিং পরিসংখ্যানটা দেখুন, ৯ ওভারে তিনি রান দিয়েছেন মাত্র ৩৫।


আপনার মতামত

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*


Email
Print