বুধবার , ২৫ এপ্রিল ২০১৮
মূলপাতা » অন্যান্য » কয়লাখনি দুর্নীতি: খালেদা জিয়াকে আদালতে হাজিরের নির্দেশ

কয়লাখনি দুর্নীতি: খালেদা জিয়াকে আদালতে হাজিরের নির্দেশ

14.-khaledaবড়পুকুরিয়া কয়লাখনি দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে আগামী ১৩ এপ্রিল আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়েছে ঢাকার ২ নম্বর বিশেষ জজ আদালত।

সোমবার ঢাকার ২ নম্বর বিশেষ জজ আদালতের বিচারক হোসনে আরা বেগম এই নির্দেশ দেন।

খালেদা জিয়ার আইনজীবী জয়নুল আবেদীন মেজবাহ জানান, সোমবার মামলাটিতে উচ্চ আদালতের আদেশ দাখিলের জন্য দিন ধার্য ছিল। উচ্চ আদালতে মামলাটির খারিজের আবেদন বিচারাধীন থাকায় এদিন খালেদা জিয়ার পক্ষে সময়ের আবেদন করা হয়। আগামী ৫ এপ্রিল ওই বিষয়ে সিদ্ধান্ত হতে পারে।

তিনি আরো জানান, এ মামলাটিতে খালেদা জিয়া জামিনে আছেন।

বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় ২০০৮ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়া ও তার মন্ত্রিসভার সদস্যসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি দুর্নীতি মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। শাহবাগ থানায় মামলাটি করেন কমিশনের তৎকালীন সহকারী পরিচালক মো. সামছুল আলম।

মামলাটিতে চারদলীয় জোট সরকারের সময় স্থানীয় সরকার, সমবায় ও পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রী আবদুল মান্নান ভূঁইয়া (মৃত), অর্থমন্ত্রী এম সাইফুর রহমান (মৃত), শিল্পমন্ত্রী মতিউর রহমান নিজামী, স্বাস্থ্যমন্ত্রী ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, তথ্যমন্ত্রী শামসুল ইসলাম, কৃষিমন্ত্রী এম কে আনোয়ার, সমাজকল্যাণ মন্ত্রী আলী আহসান মুহাম্মদ মুজাহিদসহ ১৬ জনকে আসামি করা হয়।

পরে এ মামলার বৈধতা চ্যালেঞ্জ হাইকোর্টে রিট করেন খালেদা জিয়া। ২০০৮ সালের ১৬ অক্টোবর বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ দস্তগীর হোসেন ও বিচারপতি ফরিদ আহাম্মদের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি মামলার কার্যক্রম তিন মাস স্থগিত করেন।

একই সঙ্গে মামলা দায়ের ও কার্যক্রম কেন অবৈধ ও বেআইনি হবে না তা জানতে চেয়ে সরকারকে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দেন। পরে মামলার স্থগিতাদেশের মেয়াদ বাড়ানো হয়।

মামলাটিতে হাইকোর্ট থেকে জামিনে রয়েছেন খালেদা জিয়া। একই বছরের ৫ অক্টোবর আদালতে এ মামলায় চার্জশিট দেয়া হয়।

কনসোর্টিয়াম অব চায়না ন্যাশনাল মেশিনারি ইম্পোর্ট অ্যান্ড এক্সপোর্ট করপোরেশনকে (সিএমসি) বড়পুকুরিয়া কয়লাখনির অনুমোদন দিয়ে রাষ্ট্রের কয়লা উত্তোলনে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ দরদাতা সিএমসির সঙ্গে বড়পুকুরিয়া কয়লাখনির উৎপাদন, ব্যবস্থাপনা ও রক্ষণাবেক্ষণ চুক্তি করায় সরকারের প্রায় ১৫৮ কোটি ৭১ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে।

#


আপনার মতামত

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*


Email
Print