মঙ্গলবার , ২৪ এপ্রিল ২০১৮
মূলপাতা » প্রধান খবর » অভিজিৎ হত্যায় তসলিমার নিন্দা

অভিজিৎ হত্যায় তসলিমার নিন্দা

imagesবাংলাদেশি ব্লগার-লেখক অভিজিৎ রায়ের হত্যার নিন্দা জানিয়ে তসলিমা নাসরিন বলেন, ‘সব ধরনের ‘ধর্মীয় মৌলবাদিত্ব’ সমালোচনার কারণ-হেতু অভিজিৎ আক্রমণের শিকার হয়ে থাকতে পারেন।’ খবর দ্য হিন্দু।
অভিজিৎ, স্বাধীন এবং ধর্মনিরপেক্ষ লেখালেখির সমর্থনপুষ্ট জনপ্রিয় ব্লগ সাইট মুক্ত-মনার প্রতিষ্ঠাতা যাকে বকধার্মিকরা বৃহস্পতিবার স্ত্রীসহ বই মেলা থেকে ফিরে আসার সময় হত্যা করে।
তসলিমা নাসরিন বলেন, ‘তিনি দুই দশক ধরে অভিজিৎকে চিনতেন-জানতেন। ইসলমাসহ সব ধর্মীয় মৌলবাদিত্বের সমালোচনাকারী ছিলেন অভিজিৎ যেটা এ হত্যার কারণ হতে পারে।’ এমন আক্রমণ বাংলাদেশে ‘নতুন না’ বলেও ভারতীয় গণমাধ্যম দ্যহিন্দুকে তসলিমা বলেন।
বাংলাদেশে কথা বলার কোন স্বাধীনতা নাই। লেখদেরকে হত্যার এমন ঘটনা আগেও হয়েছে। তিনি বলেন, ২০১৩ সালে ধর্মনিরপেক্ষতা সমর্থনকারী আরেক ব্লগার আহমেদ রাজীব হায়দারকে চরমপন্থি গোষ্ঠীরা হত্যা করেছে। ২০০৪ সালে বই-মেলা চলাকালে লেখক হুমায়ুন আজাদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের কাছে হামলার শিকার হন। পরে দেশের বাইরে জার্মানির এপার্টমেন্টে তিনি রহস্যজনকভাবে মারা যান।
বাংলা সিনেমা পরিচালক গৌতম ঘোষ যিনি বাংলাদেশে সিনেমা পরিচালনা ও সহ-প্রযোজনা করেন এ ঘটনাকে তিনি ‘ঘৃণ্য’ বলে উল্লেখ করেন।
এ ঘটনা আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দেয় যে সব ধরনের সহিষ্ণুতা, হোক ধর্মীয় বা রাজনৈতিক ক্রমাগতভাবে বাড়ছিল। এমন আক্রমণ স্বাধীন-চিন্তার ধারক বাহকদের বাক রুদ্ধ করার প্রচেষ্টা। বাংলাদেশে এবং সারা পৃথিবী সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এ ঘটনার নিন্দা জানিয়েছে।
বামপন্থি অনলাইন একটিভিস্টদের প্লাটফর্ম ‘গানামানচা’ দাবি করেছে যে বাংলাদেশে ‘ধর্মীয় মৌলবাদিরা’ এসব হামলা ঘটনা ঘটাচ্ছে। দক্ষিণ-এশিয়ান উপমহাদেশের যুক্তিবাদি ব্লগার-লেখকরা ক্রমাগতভাবে আক্রমণের শিকার হচ্ছেন। যেমনটি দেখা গেছে ধর্মীয় উগ্রপন্থি কর্র্তক গোবিন্দ প্যান্যাস্যার (সিনিয়র কমিউনিস্ট পার্টি অব ইন্ডিয়া লিডার) এবং নরেন্দ্র ধভলকারকে (যুক্তিবাদি খ্যাত) গুপ্তহত্যার মধ্য দিয়ে।

আপনার মতামত

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*


Email
Print