শুক্রবার , ২৭ এপ্রিল ২০১৮
মূলপাতা » কলেজ » ১ম দিনে বাংলা দ্বিতীয় পত্রের প্রশ্ন বিতরণ: প্রশ্ন ফাঁসের আশঙ্কা

১ম দিনে বাংলা দ্বিতীয় পত্রের প্রশ্ন বিতরণ: প্রশ্ন ফাঁসের আশঙ্কা

Question-1423236692নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলার নাজিরপুর দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয় এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীদের মধ্যে শুক্রবার বাংলা প্রথম পত্রের পরিবর্তে দ্বিতীয় পত্রের প্রশ্ন বিলির ঘটনা ঘটেছে।  এতে বাংলা ২য় পত্রের প্রশ্নপত্র ফাঁস হবার আশঙ্কা দেখা ‍দিয়েছে।

‘ভুলক্রমে’ প্রশ্নপত্র বিতরণের পর দ্বিতীয় পত্রের প্রশ্নপত্র উঠিয়ে নিয়ে প্রথম পত্রের প্রশ্নপত্র বিলি করলেও দ্বিতীয় পত্রের সাতটি প্রশ্নপত্রের কোনো হদিস পাওয়া যায়নি। ধারণা করা হচ্ছে ওই প্রশ্নপত্রগুলো বাইরে চলে গেছে। সেগুলোর আরো কপি হতে পারে।

নাজিরপুর দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয় এসএসসি পরীক্ষা কেন্দ্র সচিব ও ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোঃ ফজর আলী জানান, সকাল ৮টায় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ মোবারক হোসেন পারভেজ ও পুলিশ কর্মকর্তার উপস্থিতিতে গুরুদাসপুর থানা থেকে বাংলা প্রথম পত্রের প্রশ্নের ১৮টি প্যাকেট পরীক্ষা কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়।

কিন্তু তার মধ্যে বাংলা দ্বিতীয় পত্রের দুটি প্যাকেটে ১২০টি প্রশ্নপত্র ছিল। পরীক্ষার শুরুতে শিক্ষার্থীদের বাংলা দ্বিতীয় পত্রের প্রশ্নপত্র বিলি করে কেন্দ্র কর্তৃপক্ষ। পরে বুঝতে পেরে পরীক্ষা কক্ষে দায়িত্বরত শিক্ষকরা বিলিকৃত দ্বিতীয় পত্রের প্রশ্নপত্র উঠিয়ে নিয়ে প্রথম পত্রের প্রশ্নপত্র বিলি করেন।

কেন্দ্র সচিব মোঃ ফজর আলী, সহকারী প্রধান শিক্ষক শফিকুল ইসলাম ও সহকারী শিক্ষক মোঃ আসাদের কাছে এ বিষয়ে জানতে চান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইয়াসমিন আক্তার।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের দফতর থেকে জানানো হয় বিষয়টি উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ ও শিক্ষা বোর্ডকে অবগত করা হয়েছে। তাদের দেয়া সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত বলে গণ্য হবে।

সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে নাটোরের জেলা প্রশাসক মোঃ মশিউর রহমান এই প্রতিবেদককে জানান, বিষয়টি তার জানা নেই। দ্রুত জেনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবেন।

একই সময় নাটোরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোঃ আতিয়ুর রহমান বলেছেন, বিষয়টি তদন্ত করার জন্য তিনি গুরুদাসপুরেই রয়েছেন। তদন্ত করে দেখছেন। ভুল করে শিক্ষকরা বাংলা দ্বিতীয় পত্রের কয়েকটি প্রশ্নপত্র বিলি করলেও অল্প সময় পরেই তা তুলে নেয়া হয়েছে। কোন প্রশ্ন খোয়া যায়নি। তবে দায়িত্বরত কর্মকর্তারা এর দায় এড়াতে পারেন কি না তার উত্তরে তিনি বলেন এটা কেন্দ্র সচিবের ভুল।

রাজশাহী বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক শামসুল কালাম আজাদ বলেন, বিষয়টি তাকে সন্ধ্যা সাড়ে সাড়ে সাতটা পর্যন্ত নাটোর থেকে জানানো হয়নি। তিনি দ্রুত নাটোরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মোঃ আতিয়ুর রহমান ও গুরুদাসপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইয়াসমিন আক্তারের সাথে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবেন।
#


আপনার মতামত

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*


Email
Print