সোমবার , ২৩ জুলাই ২০১৮
মূলপাতা » অন্যান্য » নভোথিয়েটার মামলায় অভিযুক্তদের অব্যাহতি

নভোথিয়েটার মামলায় অভিযুক্তদের অব্যাহতি

dudok-1422950742নভোথিয়েটার দুর্নীতি মামলা থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ সকল আসামিকে অব্যাহতি (এফআরটি) দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

অভিযোগের ব্যাপারে দুদকের তদন্তে কোন ধরণের সত্যতা না পাওয়ায় সকল আসামির ফাইনাল রিপোর্ট ট্রু (এফআরটি) দেওয়ার মাধ্যমে বিষয়টি নিষ্পত্তি করা হয়েছে বলে দুদক চেয়ারম্যান মো. বদিউজ্জামান  বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘মামলাটি দীর্ঘদিন ধরে দুদকের অনিষ্পন্ন শাখায় পড়েছিল। সম্প্রতি বিষয়টি দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য উদ্যোগ নেওয়া হয়। দুই দিন আগে কমিশনের অনুমোদনক্রমে এফআরটির মাধ্যমে নিষ্পত্তির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

২০০২ সালে বিএনপি-জামায়াত সরকারের আমলে দায়ের করা এ মামলায় তৎকালীন বিরোধী দলের নেত্রী ছিলেন আজকের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রায় ১ যুগ ধরে দুদকের অনিষ্পন্ন শাখায় পড়ে ছিলো বহুল আলোচিত-সমালোচিত এ মামলা।

দুদক সূত্রে জানা যায়, ২০০২ সালের ২৭ মার্চ বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে তৎকালীন বিরোধী দলের নেতা শেখ হাসিনা ও সংশ্লিষ্ট একনেক সদস্যদের বিরুদ্ধে তেজগাঁও থানায় তিনটি মামলা করে বিলুপ্ত দুর্নীতি দমন ব্যুরো।

তৎকালীন ব্যুরোর পরিদর্শক মোহাম্মদ ইব্রাহিম বাদি হয়ে একটি এবং এন্টি করাপশন অফিসার (এসিও) খান মো. মিজানুল ইসলাম বাদি হয়ে দুটি মামলা দায়ের করেন। তিনটি মামলায়ই বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে প্রধান আসামি করা হয়। মামলাগুলোতে যথাক্রমে ৭ জন, ৮ জন এবং ১২ জনকে আসামি করা হয়।

আসামিদের মধ্যে সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এএমএস কিবরিয়া এবং শিক্ষামন্ত্রী এএইচএসকে সাদেক মারা গেছেন। অন্যদের মধ্যে তোফায়েল আহমেদ, মতিয়া চৌধুরী, ড. মহীউদ্দীন খান আলমগীর অভিযোগের দায় থেকে উচ্চ আদালত থেকে অব্যাহতি পেয়েছেন বলে জানা গেছে।

সূত্র আরও জানায়, শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে দায়ের করা আলোচিত মামলাগুলো ১৩ বছর ধরে দুদকের অনিষ্পন্ন শাখায় পড়ে ছিল। দুর্নীতি দমন ব্যুরো বিলোপ করে দুর্নীতি দমন কমিশন গঠন করার পর ২০০৫ সালের ২৪ আগস্ট বিচারপতি সুলতান হোসেন খানের কমিশন মামলাগুলোর গুরুত্ব বিবেচনা করে অভিযোগপত্র দাখিলের নির্দেশ দেন।

বিষয়টি চ্যালেঞ্জ করে শেখ হাসিনা পৃথক দুটি রিট (নং-৭৯৬৬/০৫ এবং ৭৯৬৭/০৫) করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ ২০১০ সালের ৪ মার্চ চার্জশিট দাখিলের আদেশ অবৈধ ঘোষণা করেন।

এ সময় মামলা সম্পর্কে আদালত বলেন, ‘নভোথিয়েটার দুর্নীতি মামলা শেখ হাসিনাকে হয়রানি করা এবং হেয়প্রতিপন্ন করার লক্ষ্যেই দায়ের করা হয়েছিল। বঙ্গবন্ধু নভোথিয়েটার নিয়ে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের কার্যনির্বাহী পরিষদের সিদ্ধান্তকে আমলে নিয়ে মামলাগুলো করা হয়।

সিদ্ধান্তগুলো ছিল- প্রকল্পের পরামর্শকের ব্যয় বৃদ্ধি, ভবন নির্মাণের ব্যয় বৃদ্ধি এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ব্যয় বৃদ্ধি।

#

 

 


আপনার মতামত

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*


Email
Print