বৃহস্পতিবার , ১৯ জুলাই ২০১৮
মূলপাতা » ক্রিকেট » সাড়ে চার বছরের অপেক্ষার অবসান

সাড়ে চার বছরের অপেক্ষার অবসান

অপেক্ষার সময়টা সব সময় দীর্ঘ হয়। দীর্ঘ হয়েছে বাংলাদেশের খ্যাতিমান ব্যাটসম্যান তামিম ইকবালের জন্যও। টেস্টে একটি সেঞ্চুরির জন্য তাকে অপেক্ষা করতে হয়েছে ১ হাজার ৬১৪ দিন। প্রায় সাড়ে চার বছর পর টেস্টে শতকের দেখা পেলেন বাংলাদেশের ওপেনার তামিম ইকবাল। মঙ্গলবার জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে খুলনার শেখ আবু নাসের স্টেডিয়ামে ক্যারিয়ারের পঞ্চম শতক তুলে নেন তিনি।

এর আগে প্রথম দিন ২৫০ বলে ৭৪ রানে অপরাজিত থাকেন দেশসেরা এই ওপেনার। মঙ্গলবার দিনের দ্বিতীয় ঘণ্টায় শতক তুলে নেন তামিম। নাতসাই সাঙ্গেওর বলে বাউন্ডারি হাঁকিয়ে শতকের স্বাদ পান ড্যাশিং ওপেনার।

ক্যারিয়ারে এটি তার পঞ্চম এবং জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রথম শতক। এর আগে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে দুটি, ভারত ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে একটি করে শতক হাঁকান চট্টগ্রামের এই তারকা।

টেস্টে তার সর্বোচ্চ রান ১৫১। ভারতের বিপক্ষে শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ২০১০ সালে সর্বোচ্চ রানের ইনিংসটি খেলেন মারকুটে এই ব্যাটসম্যান। তবে একই সালের ৪ জুনের পর আর তিন অঙ্কের ঘরে পৌঁছাতে পারেননি তামিম।

২০১০ সালের ৪ জুন ইংলিশ বোলারদের বেধড়ক পিটিয়ে শতক হাঁকান। মাত্র ১১৪ বলে ১১ চার ও ১ ছক্কায় ১০৮ রান করেন তামিম। অবশ্য এর আগের ইনিংসে ক্রিকেটের জন্মভূমি লর্ডস ক্রিকেট গ্রাউন্ডে ১০৩ রান করেছিলেন। লর্ডস ক্রিকেট গ্রাউন্ডে শতক হাঁকানো একমাত্র বাংলাদেশি ব্যাটসম্যান তিনি।

২০১০ সালের ইংল্যান্ড সফরের পর ২০১৪ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হলো তামিমকে। বছরের হিসেবে চার বছর পাঁচ মাস আর ইনিংস হিসেবে প্রায় ৩৩ ইনিংস পর তিন অঙ্কের ম্যাজিকাল ফিগারের দেখা পেলেন তামিম। এ সময়ে সর্বোচ্চ ৯৫ রান করেন নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে ২০১৩ সালে।

সম্প্রতি নিয়মিত ব্যাটে রান পাচ্ছেন তামিম ইকবাল। ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে দুই টেস্টে চার ইনিংসে তার ব্যাট থেকে এসেছে ১৬৬ রান (১+৫৩+৪৮+৬৪)। ঘরের মাটিতে ভালো করার প্রত্যয় নিয়ে ঢাকা টেস্টে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে মাঠে নামলেও তামিম ভক্তদের হতাশ করেন।  দুই ইনিংসে মোট রান ৫। এরপর সমালোচকদের সমালোচনার তীক্ষ্ণ তিরে বিদ্ধ হন তিনি। খুলনা টেস্টে একসময় ইনজুরির কারণে অনিশ্চিত হয়ে পড়েন। কিন্তু তারপরও মাঠে নামেন। ধৈর্যের মূর্ত প্রতীক হয়ে তুলে নেন ক্যারিয়ারের পঞ্চম শতক।


আপনার মতামত

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*


Email
Print