বুধবার , ২৫ এপ্রিল ২০১৮
মূলপাতা » স্বাস্থ্য » হৃৎপিণ্ডে মেয়াদোত্তীর্ণ রিং প্রতিস্থাপনে হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা

হৃৎপিণ্ডে মেয়াদোত্তীর্ণ রিং প্রতিস্থাপনে হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা

heart-attackজাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালসহ দেশের সব হাসপাতালে হৃদরোগে আক্রান্ত রোগীদের শরীরে মেয়াদোত্তীর্ণ রিং প্রতিস্থাপনের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন হাইকোর্ট।

বৃহস্পতিবার বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক ও বিচারপতি আবু তাহের মো. সাইফুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ স্বঃপ্রণোদিত হয়ে এ আদেশ দেন।

একই সঙ্গে মেয়াদোত্তীর্ণ রিং প্রতিস্থাপন কেন অবৈধ ঘোষণা করা করা হবে তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন আদালত। আগামী এক মাসের মধ্যে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, পুলিশের মহাপরিদর্শক, জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালকসহ সংশ্লিষ্টদের এ রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

এছাড়াও এ বিষয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি করে একটি প্রতিবেদন এক মাসের মধ্যে জমা দিতে বলেছেন হাইকোর্ট।

সম্প্রতি ‘মেয়াদোত্তীর্ণ রিং পরিয়ে হৃদরোগ চিকিৎসার ভয়াবহ তথ্য’ সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল২৪ প্রচার করা হয়। প্রতিবেদনটি আমলে নিয়ে আদালত এ আদেশ দেন। ওই প্রতিবেদনটি আদালতের নজরে আনেন সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী জায়দী হাসান।

একই সঙ্গে চ্যানেল২৪ এর বার্তা সম্পাদককে প্রচারিত প্রতিবেদনটির সত্যতা নিশ্চিত করে তা আদালতে জমা দিতে বলা হয়েছে। এ বিষয়ে আগামী ১ মার্চ পরবর্তী আদেশ দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন আদালত।

টেলিভিশন চ্যানেলটির অনলাইন সংষ্করণে বলা হয়েছে, ‘জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে গত সাত মাসে বেশ কিছু রোগীর দেহে মেয়াদোত্তীর্ণ রিং পরানোর খবর পাওয়া গেছে।’

প্রতিবেদনে আরো বলা হয়, ‘হৃদরোগ বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, চিকিৎসার পর রোগীরা এমনিতেই ঝুঁকিতে থাকেন। তার ওপর মেয়াদ পার হওয়া রিং পরানো হলে এ ঝুঁকির মাত্রা আরো বাড়বে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, এ রিং রোগীদের তেমন ক্ষতি করবে না।’

তবে মেয়াদ পার হওয়া রিং কোনোভাবেই ব্যবহার করা যাবে না বলে রিংয়ের নির্দেশিকায় উল্লেখ আছে।

#


আপনার মতামত

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*


Email
Print