মঙ্গলবার , ১৭ জুলাই ২০১৮
মূলপাতা » সরকারি » চীন-মিয়ানমার সীমান্তে বাঘ বাণিজ্য

চীন-মিয়ানমার সীমান্তে বাঘ বাণিজ্য

bengal_tigerএক সমীক্ষায় জানা গেছে চীন ও মিয়ানমারের সীমান্তের এক শহরে ব্যাপক হারে নানা ধরনের বাঘের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ বিক্রি হচ্ছে।

বায়োলজিকাল কনজারভেশন সাময়িকীতে প্রকাশিত এই সমীক্ষায় বলা হচ্ছে, মিয়ানমারের মঙ-লা শহরে গবেষকরা দেখেছেন সেখানে অন্তত ২০০টি বাঘের চামড়া এবং নানা ধরনের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বিক্রি হচ্ছে।

তারা ধারণা করছেন, এর বাইরে সেখানে ৪৮০টি ক্লাউডেড লেপার্ড চিতাবাঘের দাঁত এবং চামড়াও বিক্রি হচ্ছে।

বণ্য প্রাণীর অঙ্গপ্রত্যঙ্গের বাণিজ্যে দক্ষিণ ও পূর্ব এশিয়ায় মঙ-লা একটি প্রধান বাজার হিসেব আবির্ভূত হয়েছে।

বিবিসির পরিবেশ বিষয়ক সংবাদদাতা নাভিন সিং খাডকা জানাচ্ছেন, এই শহরটির ওপর মিয়ানমার সরকারের কোনই নিয়ন্ত্রণ নেই।

সরকারের সাথে সেখানকার বিদ্রোহীদের একটি শান্তিচুক্তি হওয়ার পর থেকে সশস্ত্র ক’টি দল মঙ-লায় এই লাভজনক ব্যবসার সাথে জড়িত হয়েছে।
রয়েল বেঙ্গল টাইগারের প্রতি হুমকিও বাড়ছে।

মিয়ানমারের সরকার বাঘ, চিতাবাঘ ইত্যাদি বন্য ও বিলুপ্তপ্রায় প্রাণীর বাণিজ্য নিষিদ্ধ করার লক্ষ্যে তৈরি জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক সনদে সই করেছে।

কিন্তু মঙ-লা’তে সেই আইন প্রয়োগ করা যাচ্ছে না, বলে জানাচ্ছেন পরিবেশ সংস্থা ওয়ার্ল্ড ওয়াইল্ড লাইফ ফান্ডের কর্মকর্তা টমাস গ্রে।

”বেশিরভাগ নিষিদ্ধ পণ্য — যেমন বাঘের মাংস এবং বাঘের হাড় থেকে তৈরি মদ — পাচার হয়ে চীনে ঢোকার কোন প্রয়োজনই পড়ে না,” তিনি জানান, ”চীনা পর্যটকরা সীমান্তের এপারে মঙ-লায় এসে এগুলো খেয়ে যান।”

”তবে চামড়া, নখ ইত্যাদি স্যুভেনির হিসেবে তারা সঙ্গে নিয়ে যান।”

বাঘের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ ব্যবসায় প্রধান খরিদ্দার হচ্ছে চীন।

দেশের মধ্যে এসব নিষিদ্ধ পণ্যের চাহিদা কমিয়ে আনার গরজ খুব একটা দেখা যায়নি বলে অতীতে চীনের কড়া সমালোচনাও হয়েছে।

তথ্যসূত্র: বিবিসি

 


আপনার মতামত

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*


Email
Print