সোমবার , ১৬ জুলাই ২০১৮
মূলপাতা » প্রধান খবর » লিবিয়ায় সহিংসতায় চার বাংলাদেশি নিহত

লিবিয়ায় সহিংসতায় চার বাংলাদেশি নিহত

libyaলিবিয়ার বেনগাজিতে সহিংসতায় চার বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে তিনজনের পরিচয় জানা গেছে। তারা হলেন- ময়মনসিংহের হুমায়ন কবির, রাজবাড়ীর জসিম উদ্দিন ও মো. হাসান।

রোববার বিকেল ৩টার দিকে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে নিজের অ্যাকাউন্টে এ-সংক্রান্ত একটি পোস্ট দেন।

ভেরিফাইড পেজের ওই পোস্টে তিনি লেখেন, ‘গভীর দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি, চার বাংলাদেশি লিবিয়ার বেনগাজিতে বিবদমান দুই পক্ষের গোলাগুলিতে নিহত হয়েছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন)। নিহতরা হলেন- ময়মনসিংহের হুমায়ন কবির, রাজবাড়ীর জসিম উদ্দিন, মো. হাসান এবং আরেকজনের পরিচয় এখনো জানা যায়নি। ত্রিপোলিতে আমাদের দূতাবাস নিহতদের বিষয়ে প্রয়োজনীয় খোঁজখবর নিচ্ছে।’

লিবিয়ায় এখন বড় দুই বিদ্রোহীগোষ্ঠীর দুটি সরকার আছে। লৌহমানব মুয়াম্মার গাদ্দাফির পতনের পর দুটি সরকার গঠন করে ইসলামপন্থি বিদ্রোহীরা। কাউন্সিল অব ডেপুটিস ২০১৪ সালের গণতান্ত্রিক নির্বাচনে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করে। এই সরকারের রাজধানী তোবরুকে। এদের পক্ষে আছে মিশর, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং লিবিয়ার সেনাবাহিনী। কিন্তু কাউন্সিল অব ডেপুটিস সরকারকে প্রত্যাখ্যান করে লিবিয়ার মুসলিম ব্রাদারহুডের নেতৃত্বে আরেকটি সরকার গঠন করে বিদ্রোহীরা। এই সরকারের পক্ষে আছে কাতার, সুদান এবং তুরস্ক। এই পক্ষের সরকারের রাজধানী ত্রিপোলি। প্রায়ই এ দুই সরকারের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। তাদের সংঘর্ষের বলি হয় অনেক সাধারণ ও বেসামরিক মানুষ।


One comment

  1. দিনের পর দিন একি হচ্ছে…!!!
    আসলে ঠিক বুজতে পারছি না :(

    পৃথিবীর যেখানেই যাই বাঙালি পরিচয় দিলেই সবার ভাবমূর্তি কেমন জানি ফ্যাকাশে হয়ে যায়।
    সব দেশের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ক ফাটল ধরতাছে।
    কারো সাথে বাংলাদেশের এখন আর ভালো সম্পর্ক নাই।
    মধ্যপ্রাচ্য,ইউরোপ, আমেরিকা,কানাডা,অস্ট্রেলিয়াসহ সবার কাছে নিন্দামুখ বাঙালি।
    যারা বাহিরে আছে তারা ঠিকই বুজে কত কষ্টে আছে সবাই।
    কিন্তু! আশ্চার্যের বিষয় হলো এই রাজনীতি রাজনীতি করে দেশের মানুষগুলোর প্রতি কত অবিচার করছে সরকার, দেশের ভাবমূর্তি কত কঠিনভাবে ক্ষুণ্ণ হচ্ছে একটু খেয়াল ও যদি থাকতো তাদের?
    মান সম্মান ইজ্জত সব লুটে খাচ্ছে বাংলাদেশের সরকারগুলো।
    আমাদের দেখার কেহ নাই বুজি?
    আমরা কোথায় হারাচ্ছি আজ?
    যখনি কোন দেশের সাথে চুক্তি বিনিময় হয় তখনি সরকার বলে আমরা নারী শ্রমিক পাঠাচ্ছি অপেক্ষা করেন।
    আরে বাংলাদেশ সরকার আপনার বুজা উচিত এই নারী শ্রমিকাদের কারণেই আমাদের ভাবমূর্তি দিনের পর দিন চরমভাবে ক্ষুণ্ণ হচ্ছে। এরা এখানে আসে পেটের দায়ে কিন্তু শতকরা ৯০ ভাগ হচ্ছে আগে পরে আরবদের ভোগের সামগ্রী।
    পতিতাবৃত্তি হয় তাদের প্রধান নেশা এবং পেশা হাত জোড় বলছি এ দেশ থেকে নারী শ্রমিক পাঠানো বন্ধ করুন।
    এদের কারণে আমরা কোথাও বড় গলায় কথা বলতে পারি না।
    এক ধরনের দালাল চক্র প্রবাসে বাঙালি নারীদের দিয়ে পতিতাবৃত্তি করায় বলে আজ আমাদের এ অবস্থা।
    রাস্তা-ঘাট অফিস আদালত যেখানেই যাই না কেন এরা রাস্তায় দাঁড়িয়ে সবাইকে এই অশ্লীলতায় আহব্বান করে। এর চেয়ে নিকৃষ্ট কাজ আর কি হতে পারে আমার জানা নাই।
    কত নিচে নেমে গেছি আমরা?
    বিবেক নাড়া দিবে যে কারো যারা বিষেশ করে মধ্যপ্রাচ্য আছি।

    “সবাই মিনতি করছি বন্ধ করুন প্রবাসে নারী শ্রমিক পাঠানো”।
    জসীম সুজন
    দুবাই

আপনার মতামত

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*


Email
Print