মঙ্গলবার , ১৪ আগস্ট ২০১৮
মূলপাতা » প্রধান খবর » খুলে দেয়া হয়েছে ফেসবুক

খুলে দেয়া হয়েছে ফেসবুক

2015_12_10_14_08_48_uMetzInnTJKjj5dOESoezdm4AsKz3G_800xautoখুলে দেয়া হয়েছে বন্ধ থাকা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক। তবে নিরাপত্তার স্বার্থে অন্যান্য অ্যাপস বন্ধ থাকবে। বৃহস্পতিবার দুপুরে সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম।

প্রতিমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসিতে নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে। ইতোমধ্যে ফেসবুক খুলে দেয়ার প্রক্রিয়া চলছে। তবে নিরাপত্তার স্বার্থে বন্ধ থাকা অন্যান্য অ্যাপস বন্ধ থাকবে।

সরকারকে সহযোগিতা করার জন্য যুব সমাজকে ধন্যবাদ জানিয়ে তারানা হালিম বলেন, আমি তরুণ ও যুব সমাজকে ধন্যবাদ জানাই, কারণ তাদের প্রিয় যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক সাময়িক বন্ধ রাখার বিষয়ে তারা সরকারকে সহযোগিতা করেছে।’

ফেসবুক বন্ধ করে দেয়ার পর তাকে তিরস্কারের জবাব দিয়ে তারানা বলেন, ‘ফেসবুক বন্ধ রাখার কারণে অনেকেই আমাকে তিরস্কার করেছেন। তাদেরকেও ধন্যবাদ জানাই, কারণ তারাও ফেসবুক বন্ধ রাখার বিষয়ে সরকারি সিদ্ধান্ত মেনে নিয়ে সহযোগিতা করেছে।’

এদিকে বিটিআরসির চেয়ারম্যান প্রকৌশলী ড. শাহজাহান মাহমুদ বলেন, ‘এ বিষয়ে আমরা মন্ত্রণালয় থেকে একটি নির্দেশনা পেয়েছি। ফেসবুক খোলার জন্য আইআইজিসহ (ইন্টারন্যাশনাল ইন্টারনেট গেটওয়ে) সংশ্লিষ্ট অপারেটরগুলোতে নির্দেশনা পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছি। যতো দ্রুত সম্ভব ফেসবুক খুলে দেয়া হবে।’

তিনি আরো বলেন, ‘ফেসবুক খুলে দেয়ার নির্দেশনা এলেও এখনো বন্ধ থাকা ভাইবার, ট্যাংগো, ম্যাসেঞ্জার, হোয়াটস অ্যাপ, লাইন প্রভৃতি অ্যাপসের বিষয়ে কোনোকিছু বলা হয়নি।’

এদিকে ফেসবুক খোলার প্রক্রিয়া চললেও অনেক স্থানে ধীর গতিতে কাজ করছে। খুব শিগগিরই তা স্বাভাবিক হয়ে যাবে বলে জানান বিটিআরসির চেয়ারম্যান।

সাইবার সন্ত্রাস ও হয়রানি রোধে কন্টেন্ট নিয়ন্ত্রণ ও তথ্য আদান প্রদানে সহযোগিতার জন্য একটি চুক্তি করতে আগ্রহ জানিয়ে গত ৩০ নভেম্বর ফেসবুক কর্তৃপক্ষের কাছে চিঠি পাঠায় ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়। এর পরের দিনই চিঠির উত্তর পাঠায় কর্তৃপক্ষ। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ৬ ডিসেম্বর ঢাকায় এসে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে এক বৈঠক করে ফেসবুকের একটি প্রতিনিধি দল।

প্রসঙ্গত, গত ১৮ নভেম্বর দুপুরে রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার কারণ দেখিয়ে ফেসবুকসহ ইন্টারনেটে সব সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বন্ধ করে দেয় সরকার। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, দেশের একটা মানুষও যতোক্ষণ নিরাপদ বোধ করবেন না ততক্ষণ পর্যন্ত এগুলো বন্ধ থাকবে।

সাইবার সন্ত্রাস ও হয়রানি রোধে কন্টেন্ট নিয়ন্ত্রণ ও তথ্য আদান প্রদানে সহযোগিতার জন্য একটি চুক্তি করতে আগ্রহ জানিয়ে গত ৩০ নভেম্বর ফেসবুক কর্তৃপক্ষের কাছে চিঠি পাঠায় ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়। এর পরের দিনই চিঠির উত্তর পাঠায় কর্তৃপক্ষ। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ৬ ডিসেম্বর ঢাকায় এসে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে এক বৈঠক করে ফেসবুকের একটি প্রতিনিধি দল।


আপনার মতামত

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*


Email
Print