বৃহস্পতিবার , ২৬ এপ্রিল ২০১৮
মূলপাতা » অন্যান্য » কেন্দ্রীয় কারাগারে নূর হোসেন

কেন্দ্রীয় কারাগারে নূর হোসেন

Nur hosainআলোচিত সাত খুন মামলার প্রধান আসামি নূর হোসেনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন নারায়ণগঞ্জের মুখ্য বিচারিক হাকিম শহিদুল ইসলাম। পরে তাকে বিকাল সোয়া চারটার দিকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে আনা হয়।

শুক্রবার​ বেলা পৌনে তিনটার​ দিকে নূর হোসেনকে আদালতে হাজির করার পর আদালতের বিচারক তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এর আগে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে দিয়ে সাত খুন মামলার এই আসামিকে জেলা পুলিশ লাইন থেকে আদালতে হাজির করা হয়।

আদালতে হাজির করার পর সাত খুনের দুই মামলাসহ মোট ১১টি মামলায় নূর হোসেনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। যেহেতু তার বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার অভিযুক্তপত্র হয়ে গেছে তাই তাকে রিমান্ডে নেয়ার আবেদন জানানো হয়নি। এছাড়া নূর হোসেনের পক্ষে কেউ জামিনেরও আবেদন করেননি। পরে নারায়ণগঞ্জের জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম শহীদুল ইসলাম তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

আজ সকাল সাড়ে ৭টার দিকে রাজধানীর উত্তরার র‌্যাব-১ এর সদর দপ্তর থেকে নূর হোসেনকে নারায়ণগঞ্জে নেওয়া হয়। পরে র‌্যাব-পুলিশের একটি গাড়িবহর নারায়ণগঞ্জের উদ্দেশে রওনা হয়। পথে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডের সাইনবোর্ড এলাকায় নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার খন্দকার মহিদ উদ্দিন নূর হোসেনকে গ্রহণ করে ওই গাড়িবহরসহ জেলা পুলিশ লাইনসে যান।

ওই গাড়িবহরের মধ্যে একটি সাদা রঙের প্রাইভেট কারে করে নূর হোসেনকে নিয়ে যাওয়া হয়। এ সময় জেলা পুলিশের গোয়েন্দা শাখার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ও সাত খুন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মামুনুর রশিদ তার সঙ্গে ছিলেন।

এর আগে বৃহস্পতিবার রাত ১১টা ২০ মিনিটের দিকে বেনাপোল চেকপোস্টের জিরো পয়েন্ট দিয়ে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) সদস্যরা নূর হোসেনকে বিজিবি সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করে।

বেনাপোল পোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অপূর্ব হাসান তাকে গ্রহণ করেন। নূর হোসেনকে হস্তান্তরের সময় উপস্থিত ছিলেন- যশোরের পুলিশ সুপার আনিসুর রহমান, নারায়ণগঞ্জের সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) মোকলেসুর রহমান, আলোচিত সাত খুন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক (এসআই) মামুনুর রশিদ, যশোর ২৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের উপ-অধিনায়ক মেজর লিয়াকত হোসেন, যশোর জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রাব্বি হাশমি, বেনাপোল পোর্ট থানার ওসি অপূর্ব হাসান, বেনাপোল ইমিগ্রেশন ওসি তরিকুল ইসলামসহ স্থানীয় প্রশাসনিক কর্মকর্তারা।

২০১৪ সালের ২৭ এপ্রিল ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংকরোডের ফতুল্লারলামাপাড়া থেকে কাউন্সিলর নজরুল ইসলাম, আইনজীবী চন্দনসরকারসহ সাতজনকে অপহরণ করা হয়। তিন দিন পর শীতলক্ষ্যা নদীতে তাদের মরদেহ পাওয়া যায়।

এরপর ২০১৪ সালের ১৪ জুন কলকাতার দমদম বিমানবন্দরের কাছে কৈখালি এলাকার একটি বাড়ি থেকে দুই সহযোগীসহ তাকে গ্রেপ্তার করে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ।


আপনার মতামত

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*


Email
Print