শুক্রবার , ২২ জুন ২০১৮
মূলপাতা » খেলাধুলা » দালালের ছায়া এবং মাটির মায়া

দালালের ছায়া এবং মাটির মায়া

rajib mirরাজীব মীর: আমার বাড়ি ভোলা। ওখানে অনেকের নামেই মামলা থাকে, যারা জানেও না কেন তাঁর নামে মামলা হয়। একবার আমি বেড়াতে গেছি, শুনলাম ওয়ারেন্ট হইছে, পুলিশ আসবে।অদ্ভুত! আমি আবার কি করলাম! স্থানীয় সাংবাদিক নেয়ামত উল্যাহ কে জানালাম।বললো মামলা যখন হইছে, ওয়ারেন্টও যখন হইছে, ধরতে কতক্ষণ।ওরা মান ইজ্জত দেখবে না, আপনি ঢাকায় চলে যান।লোকাল কোর্ট ও ফেস করবেন না!হাই কোর্ট থেকে জামিন নিয়ে নেন, আপনার একটা ভাব আছে না!কি মুশকিল। মনে ভয় ধরেগেলো।স্থানীয় জলদস্যুদের সহায়তায় সে যাত্রায় লঞ্চ ধরতে যে কান্ড করেছি, ফেলুদা সেই থ্রিল শুনলে অবাক হয়ে যেতেন।সিনেমা, সিনেমা-গল্প।কিন্তু আর একজন নায়কের কথা একটু বলে নেয়া ভালো।তাঁর নাম শাহাদাত হোসেন, তিনি রাজশাহীর পবা উপজেলার এসিল্যান্ড। তাঁর অফিসের নাম রেখেছেন, ‘মাটির মায়া’। পবায় সেবা দেন, ভূমি সেবা। আগে চিকিৎসা সেবার নাম শুনেছি, এই প্রথম ভূমি সেবার বিষয়ে জানলাম।ভারতে শংকর নেত্রালয়ে আপনি যদি যান, কেউ একজন এসে আপনাকে বলবেন, মে আই হেল্প ইউ! আপনার কেমন লাগবে!

বাংলাদেশের হাসপাতালগুলোর এত দু:খ স্মৃতি আপনার মাথায় ভর করে আপনাকে নস্টালজিক করবে যে আপনি কি বলতে হবে খেই হারিয়ে ফেলতে পারেন।  বাংলাদেশের জাতীয় একটি দৈনিকের তথ্যমতে, এই এসি ল্যান্ডের সেখানে নাকি লেখা আছে, ‘আপনার এসি ল্যান্ড’ । ‘সেবাঙ্গন’ নামে একটা হেল্প ডেস্কও আছে, অবিশ্বাস্য!এই অফিসে নাকি নাগরিক সনদও টানানো আছে।চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনারের অফিসে বিভাগের সকল ডিসিদের নিয়ে একটা কর্মশালায় তখনকার কমিশনার এখন যোগাযোগ সচিব এম এ এন সিদ্দিক আমাকে নিমন্ত্রণ করেন। বিষয় ছিলো সিটিজেন চার্টার বা নাগরিক সনদ।অর্থাৎ কোনও সরকারি অফিসে কি কি সেবা কীভাবে কখন পাওয়া যাবে একটা বড় বোর্ডে চার্ট দিয়ে ব্যাখা করা থাকে যাতে সহজেই নাগরিকগণ তাদের সেবা প্রাপ্তি বিষয়ে এক নজরে সহজেই তথ্যাবলী জানতে পারেন।এই জানতে পারাটাই হলো নাগরিক অধিকার।জেনেছি। বেশিরভাগ মানুষই জানেনা যে প্রত্যেক সরকারি সেবাদানকারি অফিসে অবশ্যই নাগরিক সনদ টানানো আছে, না থাকলেও সেটার প্রতিকার আছে।একটা অফিসের সকল কর্মকর্তা কাজে ব্যস্ত থাকবেন, স্বাভাবিক। কিন্তু ব্যস্ততার দোহাইতে কাউকে কোন তথ্য দিবেন না, অস্বাভাবিক।এখন তথ্য প্রদানও বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। যথাযথ নিয়মে আবেদন করে যে কেউ নিয়মমাফিক তথ্য সংগ্রহ করতে পারবেন।

যদিও খালি মুখে তথ্য জানতে চেয়ে টেবিলে ঘোরার অভ্যাস আমাদের নিয়ত, কেউ কথাই বলতে চায় না এটাই সরকারি সেবা -সংস্কৃতির ধরণ।সেক্ষেত্রে পবা ভূমি কার্যালয়ে জমির নামজারি করতে কত টাকা লাগে, খতিয়ান তুলতে কত টাকা লাগে, খাসজমি বন্দোবস্ত নিতে কী করণীয়, কোন বিষয়ে কার সঙ্গে কীভাবে যোগাযোগ করতে হবে সেবাঙ্গনে একজন কর্মচারি বসে আগতদের তথ্য দিয়ে থাকেন।সবচেয়ে মজার বিষয় হলো কর্মচারিদের গলায় তো পরিচয়পত্র আছেই বরং বিভিন্ন কক্ষে কর্মচারিদের নাম ধরে তালিকা থাকা যে কার কাছে কোন সেবা পাওয়া যাবে, শুনতেই মন ভালো হয়ে যায়।উপরন্তু ছোট বোর্ডে কর্মচারিদের প্রতিদিনের কাজ লেখা, সেগুলো ধরে প্রতিদিনের কাজের মূল্যায়ন করার প্রক্রিয়া একটা অফিসের জবাবদিহিতা কি পরিমাণ বাড়িয়ে দেয়!একটা বড় ডিসপ্লে বোর্ডে লেখা থাকে কোন ধরণের মামলার শুনানী কবে অনুষ্ঠিত হবে।

সবচেয়ে আশ্চর্যের ব্যাপার হলো দেড় বছরের প্রস্তুতি নিয়ে দেড় লাখের মত নথি ক্রমানুসারে সাজিয়ে প্রতিটির সাথে ট্যাগ লাগিয়ে দেয়া, প্রথমা, দ্বিতীয়া ও তৃতীয়া নামে নথির শ্রেণীকরণ করে সারিবদ্ধ করা।সমস্ত রেজিস্ট্রার নির্ধারিত ফরমে লাল সালু কাপড়ে বাঁধাই করে সংরক্ষণ ও হালনাগাদ করা। মজার হলো সেল ফোনে এসএমএস এর মাধ্যমে মামলার শুনানীর তারিখ বাদী ও বিবাদীকে জানিয়ে দেয়া।অনলাইনে অভিযোগ দায়ের করার নিয়ম করা হয়েছে, ভূমি অফিসের অফিসিয়াল ফেসবুক আছে।আবার ওয়েবসাইট থেকেও জানা যাবে বিভিন্ন মামলার সর্বশেষ অবস্থা, চলমান কাজও আছে কিছু।জমির আর এস খতিয়ান স্ক্যান করে ডিজিটাল ফরমেটে অনলাইনে দেওয়া।স্বয়ং রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার হেলালুদ্দিন আহমেদের মতে, এটি শাহদাত হোসেনের একটি উদ্ভাবনী উদ্যোগ, এমনকি দুই মাস অন্তর রাজশাহীর সব এসি ল্যান্ডকেএই কার্যালয়ের কার্যক্রমের ভিডিও চিত্র দেখানো হয় যাতে সব উপজেলায় এটা চালু হয়, গতিশীল থাকে ।কিন্তু রাজশাহী তো বটেই সারা দেশের ভূমি অফিসের অবস্থা তো এরকমই হওয়ার কথা, তাহলে পবা বা শাহদাত নিয়ে আলাদা করে সংবাদ প্রকাশ কেন, সমালোচকরা প্রশ্ন তুলতে পারেন।

সাংবাদিকতার সংস্কৃতি হলো -Bad news is good news. অর্থ্যাৎ আমাদের চারপাশের যে কোন ধরনের খারাপ সংবাদই গণমাধ্যম প্রকাশ ও প্রচার করে থাকে।সেগুলোই সংবাদের আলোচ্যসূচী হয়, কারণ সাধারণ মানুষ অন্যায়, অপরাধ, খুন, মামলা, স্ক্যান্ডাল এসব বিষয়ে স্বভাবজাত জানতে আগ্রহী থাকে। কিন্তু এ নিয়ে সরকারের অভিযোগেরও অন্ত নেই, কেন ভালো কাজের সংবাদ আসবে না। আসে তো।  সংবাদের সংজ্ঞায় আছে যে অপ্রত্যাশিত ও নতুন কোন বিষয় যা জনমানুষের আগ্রহ উদ্রেক করে সেটাই সংবাদ।শাহদাতের সংবাদ আমাদের আবেগ নাড়িয়েছে, দেশের উন্নয়নের সফলতা দেখিয়েছে- এটি সংবাদ, উন্নয়ন সংবাদ।কিন্তু সংবাদের আড়ালে আরও কিছু সংবাদ থাকে, ঘটনার পিছনে ঘটনা।আচ্ছা শাহদাত এখানে কাজ করার পূর্বে এখানকার পরিবেশ কেমন ছিলো, জানতে ইচ্ছে করে না!আমি কিন্তু জানি।সারা বাংলাদেশের চিত্র একই রকম, আমার ভোলাও এর ব্যতিক্রম নয়।আমাদের কিছু বিষয়-সম্পত্তি থাকায় এর অনুপুঙ্খ যন্ত্রণা আমরা হাড়ে হাড়ে টের পাই, পাচ্ছি। ওখানে জমি জরিপ চলছে দীর্ঘ দিন।প্রথমে মাঠ জরিপ হয়। অর্থাৎ আপনার পূর্বসুরীর থেকে প্রাপ্ত বা কেনা জমি আপনি কোথায ভোগ করছেন তা সরেজমিন দেখা হয়।এখন ধরেন জমি নিয়ে বিরোধ আছে।সেক্ষেত্রে আপনার ভোগদখলীয় জমিই জরিপের খাতায় ওঠার কথা কিন্তু প্রায়ই সেটা হয় না।ভূমি অফিসে টাকা দিলেই দখলীয় একজনের জমি আর একজনের হতে পারে।হয়।আপনি অভিযোগ করবেন, খতিয়ান তুলবেন সিএস, আর এস।সিএস হলো পুরাতন খতিয়ান আর আর এস হাল।খতিয়ান হলো দাগ নম্বরসহ ক্রয়কৃত, প্রাপ্ত এবং ভোগদখলীয় জমির অংশহারে হিসাব।কিন্তু এগুলো উঠানো মুখের কথা নয়, টাকা লাগে।আগে-পরে লাগার ভিত্তিতে টাকার অংক প্রায়শ উঠানামা করে।এরপর এখন আপনার নামে যে ভূমি, আপনার দখলে যে ভূমি এগুলোর সুরাহা হয় যে প্রক্রিয়ায় সেটাই জরিপ।এখন ভূমি অফিসে, জরিপ অফিসে সব জায়গায় অফিসের সরকারি কর্মচারিদের মতো একদল লোক সবসময় আপনার সেবার জন্য হাজির।সারাদিন অফিসে ঘুরে, দিনের পর দিন অফিসে ঘুরে আপনি একটা কথাও বের করতে পারবেন না। কিন্তু টাকার বিনিময়ে অফিসের বাইরে একদল সেবাকারি টাকার বিনিময়ে সহজেই আপনার সমস্যার সমাধান দিবেন, ওরা দালাল। এখন কথা হলো সেবাদানকারি দালাল কেন হবে? সে অনেক কথা।আপনার বাড়ির এলাকানুযায়ী দালাল ভাগ করা আছে। আমাদের এলাকা যে দালাল দেখেন তার নাম হোসেন দালাল।পেশায় সে বেসরকারি আমিন।গ্রামে জমি মাপজোককারিকে আমীন বলা হয়ে থাকে।তার কাজ হলো জমি মাপা, সেখান থেকে সারা দিনে যা পায় সেটাই তার আয় হবার কথা।কিন্তু দুই বছরেই তার অনেক টাকা, অঢেল সম্পদ- কীভাবে?  আপনারা জানেন গ্রামের জমাজমিতে অনেক জটিলতা থাকে। ছোট্ট কয়েকটা উদাহরণ দেই।ধরেন এক ব্যক্তি তাঁর জীবদ্দশায় একখন্ড জমি বিক্রি করলো, যে কিনলো সে দখলেও আসলো। বিক্রেতার মৃত্যুর পর তার ছেলে এসে ক্রেতাকে জমির দখল ছেড়ে দিতে বললো।ক্রেতা যেহেতু নিজের টাকায় জমি কিনেছে, সে ছাড়বে কেন? গ্রাম্য শালিস বসলো।

দেখা গেলো একই জমি বিক্রির পূর্বেই বিক্রেতা তার ছেলের কাছে গোপনে দলিল দিয়ে রেখেছে,অর্থ্যাৎ বিক্রি করে রেখেছে।এখন আগে যেহেতু ছেলের দলিল নিয়মমাফিক সে এই জমি পাবে, এটাই নিয়ম। তাহলে এতদিনে কিনে সাজিয়ে ভোগদখল করে ওই ব্যক্তি কোথায় যাবে? এখনই প্রশ্ন হবে কে দখলে আছে সেটা প্রমাণ করার, আর এ দখলের হিসাবই হলো জরিপ।এখন ভূমি অফিসের কদর কত বেড়ে যায় আর দু’পক্ষই দখল লেখাতে ছুটতে থাকে।দালালগণ এই সুযোগটা ভালোভাবে গ্রহণ করে, কাড়িকাড়ি টাকা কামায়।আর একটা উদাহরণ দেই।পাশাপাশি দুই বন্ধুর বাসা।কিন্তু রাস্তার ওপার এপার।দু’পাশেই দু’জনের জমি আছে।সুবিধার্থে দুই বন্ধু জমি এওয়াজ করে বা বিনিময় করে যে যেই পাশে বসবাস করেন বা থাকেন সেদিকে নিয়ে নেয়।ধরা যাক তারা দুজনই মারা গেছেন।এক বন্ধুর জমি হাল খতিয়ান অনুযায়ী বিক্রি করে দিলেন।অন্য বন্ধু বিদেশ ছিলেন, খতিয়ান হালনাগাদ করলেন না। কিন্তু তাতেও কোনও সমস্য ছিলো না,সবাই শান্তিতেই ছিলেন। কিন্তু না জমির দালাল আপনার সকল সমস্যা খুঁজে বেড়ান, এক পার্টিকে উস্কে দিবেন। দেখেন এগুলো কিন্তু আপনাদের জমি ছিলো, আপনার বাবা দিল-দরিয়া ছিলেন, ওদেরকে দিয়ে গেছেন।আর যায় কই, লেগে যায় সমস্যা।জরিপে কার নাম উঠবে সেজন্য দালালদের পেছনে ঘুরাঘুরি।কথা হলো এভাবে টাকার ছড়াছড়ির চেয়েও ছুটোছুটি বেশি, মানুষ ছুটে অনিশ্চিত পথে।টেনশনে হতাশায় দিনের পর দিন কাজকর্মভুলেভূমি অফিস, জরিপ অফিসে বসে থাকে।একজনের জমিও টাকা দিয়ে অন্যের নামে দখল দেখানো যায়, করা হয়।থাকে একজন, চায় একজন, দলিলে একজন, জরিপে একজন-এরা সবাই আবার একই নয়।

শালিস বসে,বিচার হয়।ক্ষমতাবানরা টিকে।লাঠির খেলা আর টাকার খেলার কাছে দলিলের সত্য, জরিপের সত্য নিস্প্রভ হয়।কারও কিছু করার নেই যেন।  আপনার জমি। একদল এসে মসজিদ তুলে দিলো, আপনি হয়ত সেদিন ছিলেন ঢাকা।আপনি বাড়িতে ফিরে চাইলেই আর মসজিদ ভেঙে দিতে পারবেন?  কখনওই না, সেটি জুমা নামাজ দিয়ে শুরু হইছে। যেখানে শুক্রবারের জুমা নামায আদায় হয়, সেখানে আর কিছু করার জো নাই।এখন আপনি কি করবেন।চেয়ারম্যানের কাছে যাবেন। সে অবাক হয়ে যাবে।নির্বাক থাকবে।কিছু বলবে না, মুসল্লীরা ক্ষেপে যাবে, ভোট নষ্ট হবে তো।প্রশাসন বলবে রাজনীতি, রাজনীতি প্রশাসন।হঠাৎ সেই দালালরা মসজিদের দখল দেখিয়ে মুসল্লীদের সহায়তা পাবে, আপনার জমিই বরং আপনি হারাবেন।বেশি কথা বলবেন, আপনি নাস্তিক। এটা সারা দেশেরই বিচিত্র চিত্র বৈকি!  আপনি ন্যায়ের শক্তিতে আর কোথায় যাবেন, বেশি ঝামেলা করলেই মামলায় পড়বেন। আমি পড়েছি।আমার বাবা মা বোন সবাই আমরা ফৌজদারি ক্রিমিনাল কেস লড়ছি। কেসের বিষয় কি জানেন? মোবাইল চুরি, গলার হার ছিনতাই। এসব আমি হাই কোর্ট থেকে আগাম জামিন নিয়েছি, লোয়ার কোর্টেও হাজির হয়েছি। আমার নামে পাঁচ হাজার টাকা মোবাইল চুরির মামলায় চার্জশীট হয়েছে।আমি ঢাকায় ব্যরিস্টার, নামী উকিলদের সাথে কথা বলেছি ।জিজ্ঞেস করেছি, সাজা হতে পারে? উত্তর ছিলো- সাজানো মামলায়ই সাধারণত সাজা হয়!সত্যি সত্যি যদি করতেন, কিছুই হতো না।কিন্তু কেন এ মামলা? কে দিয়েছে! যে দিয়েছে সে খুবই গরীব, ভাত খেতে পায় না, অথচ মামলা লড়ে। এখানে খুবই মজার একটা বিষয় আছে, শুনলে হাসতে হাসতে খুন হবেন।মামলায় আমার সাথে আমার পরিবারের বাইরে আরও এক আসামী আছেন।যিনি কোর্টে গিয়ে আমার সাথে আসামীর কাঠগড়ায় দাঁড়ান আর বাইরে এসে বাদীকে কেস লড়ার টাকা দেন-একই ব্যক্তি, সত্যি বলছি! আর এসব কিছুর মূলে হলো ভূমি বিরোধ, যেটাতে ঘি এবং আগুন দুটোর যোগানদার হচ্ছেন দালাল, ‍ভূমির দালাল।এরকম একটা সময়ে দালালমুক্ত ভূমি অফিস উপহার দেয়ার জন্য পবার সংস্কৃতিবান সহকারি কমিশনার (ভূমি) শাহদাত হোসেন সংবাদ হবেন না,  তো কে হবেন?  তিনি তো আর সিনেমার নায়ক নন, পর্দায় ভাসবেন।তিনি আমাদের দেশের নায়ক, মনের নায়ক -the real hero. স্যালুট, শাহদাত!

লেখক: সহযোগী অধ্যাপক, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ, জগন্নাথবিশ্ববিদ্যালয় ।


আপনার মতামত

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*


Email
Print