শুক্রবার , ২২ জুন ২০১৮
মূলপাতা » কলেজ » স্কুল ও মাদ্রাসায় একই পদ্ধতির শিক্ষাব্যবস্থা

স্কুল ও মাদ্রাসায় একই পদ্ধতির শিক্ষাব্যবস্থা

govস্কুল ও মাদ্রাসায় একই পদ্ধতিতে শিক্ষা ব্যবস্থা নিশ্চিত করে শিক্ষা আইনের খসড়া তৈরি করা হয়েছে। প্রস্তাবিত এ আইনে তিন স্তরের শিক্ষা ব্যবস্থা প্রবর্তনের বিধান প্রস্তাব করা হয়েছে। সেগুলো হচ্ছে অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত প্রাথমিক ও দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত মাধ্যমিক স্তর উন্নীত এবং দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত নোট-গাইড নিষিদ্ধ। খসড়ায় প্রাক-প্রাথমিকে ভর্তির বয়স ৪ বছর নির্ধারণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার খসড়াটি ওয়েবসাইটে (www.moedu.gov.bd) প্রকাশ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত info@moedu.gov.bd এবং law-officer@moedu.gov.bd ই-মেইলে প্রস্তাবিত শিক্ষা আইনের ওপর মতামত দেয়া যাবে।

শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেন, আমরা একটি যুগোপযোগী ও সর্বমহলে গ্রহণযোগ্য আইন করতে চাই। শিক্ষা আইন ছাড়া মানসম্মত শিক্ষা ও ব্যবস্থাপনা কঠিন হয়ে যাচ্ছে। এজন্য একটি পূর্ণাঙ্গ আইন দরকার। তিনি সংশ্লিষ্ট সবাইকে মতামত দিয়ে সহায়তার আহ্বান জানান। খসড়া আইন অনুযায়ীম প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিকে কিন্ডারগার্টেন, ইংরেজি মাধ্যম ও এবতেদায়ি মাদ্রাসাসহ সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে বাধ্যতামূলকভাবে নিবন্ধন করতে হবে। এ বিধান লংঘন করলে সর্বোচ্চ প্রতিষ্ঠান বন্ধসহ দায়ী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান সর্বোচ্চ তিন লাখ টাকা জরিমানা বা ৬ মাসের কারাদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবে। এ ছাড়া বিদেশী কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বাংলাদেশী কোনো শাখাসহ সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে বাধ্যতামূলকভাবে নিবন্ধন নিতে হবে।

প্রস্তাবিত খসড়া আইনে বলা হয়েছে, কোনো ধরনের নোট বই বা গাইড বই প্রকাশ করা যাবে না। এ আইন ভাঙলে সর্বোচ্চ দুই লাখ টাকা জরিমানা ও ৬ মাসের কারাদণ্ড বা উভয় দণ্ডের কথা করা হয়েছে। মাদ্রাসা শিক্ষায় সাধারণ ধারার মতো ৪ বছর মেয়াদি ফাজিল অনার্স এবং ১ বছর মেয়াদি কামিল কোর্স ক্রমান্বয়ে চালু করা হবে। একটি শিক্ষা কমিশন গঠনের কথাও বলা হয়েছে খসড়ায়। সরকার মাদ্রাসা শিক্ষক প্রশিক্ষণ ইন্সটিটিউট স্থাপন করবে বলেও খসড়ায় উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া কওমি মাদ্রাসার শিক্ষার মানোন্নয়নে ও যুগোপযোগী করার পদক্ষেপ গ্রহণ করবে সরকার।

নবম শ্রেণীতে ভর্তির জন্য জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট বা সমমানের পরীক্ষা পাসের সনদ এবং একাদশ বা আলিম শ্রেণীতে ভর্তিতে এসএসসি বা সমমানের সনদ দাখিল বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। ২৫ পৃষ্ঠার প্রস্তাবিত শিক্ষা আইনের পাঁচটি অধ্যায়ের ৬৯টি ধারা রয়েছে। এছাড়া প্রায় ৩শ উপধারা আছে।


আপনার মতামত

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*


Email
Print