বৃহস্পতিবার , ২৬ এপ্রিল ২০১৮
মূলপাতা » প্রধান খবর » সাকার পক্ষে সাক্ষ্য দিতে চান ৫ পাকিস্তানি নাগরিক

সাকার পক্ষে সাক্ষ্য দিতে চান ৫ পাকিস্তানি নাগরিক

pak-পাকিস্তানের পাঁচ বিশিষ্ট নাগরিক মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত বিএনপি নেতা সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর পক্ষে সাক্ষ্য দিতে আগ্রহ দেখিয়েছেন।

বুধবার আলজাজিরায় প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

`Pakistanis ask to testify in Bangladesh war-crimes case’ শিরোনামে এ প্রতিবেদনটি লিখেছেন বাংলাদেশে বসবাসরত ব্রিটিশ সাংবাদিক ডেভিড বার্গম্যান।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ওই পাঁচ নাগরিক হলেন- মোহাম্মদ মিয়ান সোমরু যিনি ২০০৭ সালে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, সাবেক জাতীয় সংসদ সদস্য ও মন্ত্রিপরিষদ মন্ত্রী ইশাক খান খাকওয়ানি, ডন মিডিয়া গ্রুপের চেয়ারপারসন আম্বার হারুন সাইগল। এছাড়া অন্য দুজন ব্যবসায়ী।

তারা মনে করেন, সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর ব্যাপারে তৎকালীন ঘটনার ব্যাপারে প্রকৃত সাক্ষ্য দিতে পারলে তাকে দণ্ডাদেশ মুক্ত করা সম্ভব।

এই পাঁচ পাকিস্তানির দাবি, ১৯৭১ সালে যুদ্ধের সময় বিএনপি নেতা সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী করাচিতে অবস্থান করছিলেন। তাই যেসব অপরাধের জন্য তাকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছে এর দায় তার ওপর যায় না।

তারা বলেন, এর আগেও ট্রাইব্যুনালে নিজেরা তাদের প্রমাণ দাখিল করার আশা করেছিলেন। কিন্তু সালাউদ্দিন কাদেরের পক্ষে মাত্র পাঁচজন সাক্ষীর সাক্ষ্য দেয়ার অনুমতি দেয়। এ কারণে তারা শপথ হলফনামার একটি খসড়া আদালতে উপস্থাপন করেন। কিন্তু ট্রাইব্যুনাল ও আপিল বিভাগ এগুলোকে অগ্রহণযোগ্য বলে বাতিল করে দেয়।

পোশাক ব্যবসায়ী মুনীব আর্জমান্দ খান দাবি করেছেন, তার সাক্ষ্য আদালতের পুরো প্রক্রিয়াকে পরিবর্তন করে দেবে।

তিনি বলেন, ১৯৭১ সালের ২৯ মার্চ করাচি বিমানবন্দরে এক বন্ধুর কাছ থেকে সালাউদ্দিন কাদেরকে নেন। তাকে হারুন পরিবারের কাছে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তিনি তিন সপ্তাহ অবস্থান করেন।

এরপর পড়াশুনা করার জন্য বিমানে করে লাহোরে চলে যান সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী। আমরা যা বলছি তা সত্য, দাবি করেন আর্জমান্দ খান।

১৯৭১ সালে আম্বার হারুন সাইগলের বয়স ২০ বছর ছিল। তিনি বলেন, যদি আদালত অনুমতি দেয় তবে কারো জীবন বাঁচানোর জন্য আমি বাংলাদেশে এসে সাক্ষ্য দিতে প্রস্তুত রয়েছি।

২০০৭ সালে পাকিস্তানের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী মোহম্মদ মিয়ান সোমরু বলেন, ন্যায়বিচারের জন্য সাক্ষীদের আদালতে উপস্থিত হতে দেয়া উচিত। আমি যে কোনো সময় শপথ নিয়ে আদালতে সাক্ষ্য দিতে প্রস্তুত।

ফাঁসির রায় বহাল রেখে আপিল বিভাগের দেয়া রায়ের বিরুদ্ধে বৃহস্পতিবার রিভিউ দায়ের করেছেন সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী।

সূত্র: যুগান্তর


আপনার মতামত

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*


Email
Print