মঙ্গলবার , ১৯ জুন ২০১৮
মূলপাতা » প্রধান খবর » বাড্ডার গোলাগুলিতে আরও একজনের মৃত্যু

বাড্ডার গোলাগুলিতে আরও একজনের মৃত্যু

Badda-Clashরাজধানীর বাড্ডায় গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে দুর্বৃত্তদের গুলিতে আহত স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা মাহবুবুর রহমান গামাও মারা গেছেন চিকিৎসাধীন অবস্থায়। আজ শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে তিনি মারা যান।

বাড্ডা থানার উপপরিদর্শক আবদুর রহিম ইউনাইটেড হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসকের বরাত দিয়ে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এ নিয়ে একই ঘটনায় তিনজনের মৃত্যু হলো। ময়নাতদন্তের জন্য মাহবুবুর রহমানের লাশ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার কথা।

গতরাতে বাড্ডার আদর্শনগর পানির পাম্প এলাকায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত হন ঢাকার ৬ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক শামসু মোল্লা ও উত্তর বাড্ডার হাফ জেনারেল হাসপাতালের ব্যবস্থাপক ফিরোজ আহমেদ ওরফে মানিক (৪০)। এ সময় গুলিবিদ্ধ হন স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতাসহ দুজন।

এর মধ্যে ঢাকা মহানগর উত্তরের স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহসাংস্কৃতিক সম্পাদক মাহবুবুর রহমান ওরফে গামাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় গুলশানের ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ছাড়া পিঠে গুলিবিদ্ধ আবদুস সালামকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তিনি নিজেকে স্থানীয় যুবলীগ নেতা বলে দাবি করেছেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, গতকাল রাত নয়টার দিকে সাত-আটজন ব্যক্তি মধ্য বাড্ডার আদর্শনগর এলাকায় পানির পাম্পের সামনে ১৫ আগস্ট জাতীয় শোক দিবসের বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়ে আলাপ করছিলেন। এ সময় আওয়ামী লীগের নেতা শামসুদ্দিন মোল্লা, স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতা মাহবুবুর রহমান, হাসপাতালের কর্মকর্তা ফিরোজ, রিকশা গ্যারেজের মালিক আবদুস সালাম চেয়ারে বসে ছিলেন। বাকিরা তাঁদের আশপাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন। এ সময় তিন যুবক অতর্কিতে দৌড়ে এসে চেয়ারে বসে থাকা চারজনকে লক্ষ্য করে গুলি করেন। এতে চারজনই গুলিবিদ্ধ হয়ে মাটিতে পড়ে যান। কেউ কেউ গুলি থেকে রক্ষা পেতে মাটিতে শুয়ে পড়েন, কেউ দৌড়ে চলে যান। অন্যদিকে ওই তিন যুবক আরও কয়েকটি ফাঁকা গুলি করে বাড্ডার হোসেন মার্কেটের দিকে দৌড়ে চলে যান। পরে স্থানীয় লোকজন গুলিবিদ্ধ চারজনের তিনজনকে ইউনাইটেড হাসপাতালে ও একজনকে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে যান। ইউনাইটেড হাসপাতালে শামসুদ্দিন ও ফিরোজকে মৃত ঘোষণা করেন কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা।


আপনার মতামত

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*


Email
Print