বুধবার , ২৫ এপ্রিল ২০১৮
মূলপাতা » প্রধান খবর » দেশে হাতির সংখ্যা ২০০

দেশে হাতির সংখ্যা ২০০

হাতি1পশু হত্যা আর মানবসৃষ্ট প্রতিকূলতায় যখন বাংলাদেশের বন বিপন্ন তখন দেশে আজ প্রথমবারের মতো দেশে হাতি দিবস পালন করা হচ্ছে। এবারের প্রতিপাদ্য বিষয় হচ্ছে ‘হাতি করলে সংরক্ষণ, রক্ষা হবে সবুজ বন’।

পরিবেশবিদরা বলছেন হাতির আবাসস্থলের ওপর মানুষের সংঘাত বেড়ে যাওয়ায় বিপন্ন প্রজাতির তালিকায় এখন যুক্ত হয়েছে হাতি। তাই মানুষকেই বিশালদেহী হাতির সবচেয়ে বড় শত্রু বলে দায়ী করছেন তারা।

পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়ের সচিব কামাল উদ্দিন আহমেদ বলছেন, ‘শুধু বিপন্ন নয়, হাতি এখন অতিবিপন্ন প্রাণী। বন উজাড় করে ফেলার কারণেই হারিয়ে যাচ্ছে হাতি।’

হাতি রক্ষায় আইইউসিএনের উদ্যোগে ২০১৬ সালের মধ্যেই ১০ বছর মেয়াদি কর্মপরিকল্পনা তৈরি করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

বন বিভাগের হিসাবে গত ১১ বছরে বাংলাদেশে মানুষের হাতেই মারা পড়েছে ৬২ টি হাতি। আর বন বিভাগ ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণবিষয়ক বৈশ্বিক সংগঠন ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন ফর কনজারভেশন অব নেচারের (আইইউসিএন) চলমান হাতি জরিপের প্রাথমিক ফলাফল বলছে, দেশে সর্বোচ্চ ২০০ হাতি রয়েছে। অথচ ২০০৪ সালের জরিপে এই হাতির সংখ্যা ছিল প্রায় ৩২৭টি।

একসময় বাংলাদেশের মধুপুর গড় থেকে শুরু করে গারো পাহাড়, সিলেট, চট্টগ্রাম এবং পার্বত্য চট্টগ্রামের বিস্তীর্ণ এলাকার পত্রঝড়া ও চিরসবুজ বন ছিল হাতির অবাধ বিচরণ কেন্দ্র। কিন্তু মনুষ্যসৃষ্ট বিভিন্ন প্রতিকূলতায় সে বিচরণ কেন্দ্র্র হয়েছে সংকুচিত। এখন শুধু চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার জেলার চিরহরিৎ বনাঞ্চলেই হাতির বিচরণ সীমাবদ্ধ হয়ে পড়েছে।


আপনার মতামত

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*


Email
Print