মঙ্গলবার , ১৭ জুলাই ২০১৮
মূলপাতা » শিক্ষাঙ্গণ » লেনদেন ৫০০০ টাকা হলেই গ্রাহকের ছবি তোলা হবে

লেনদেন ৫০০০ টাকা হলেই গ্রাহকের ছবি তোলা হবে

bkashমোবাইল ব্যাংকিংয়ে পাঁচ হাজার বা তার বেশি টাকার ক্যাশ ইন বা ক্যাশ আউট হলেই এজেন্টকে ওই লেনদেনকারীর ছবি তুলে তথ্য সংরক্ষণ করার নির্দেশনা দিতে যাচ্ছে বাংলাদেশ ব্যাংক। অপরাধমূলক লেনদেনের ঝুঁকি কমানোর লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

রোববার কেন্দ্রীয় ব্যাংক জারিকৃত এক সার্কুলারে স মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস প্রদানকারী ব্যাংক বা সাবসিডিয়ারি প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যবস্থাপনা পরিচালক বরাবর এ বিষয়গুলো প্রতিপালনের জন্য একটি চিঠি পাঠানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস সংশ্লিষ্ট সব হিসাবের গ্রাহক পরিচিতি ফরমে (নো ইওর ক্লায়েন্ট- কেওয়াইসি) প্রদত্ত তথ্যের সাঙ্গে মোবাইল সিমের নিবন্ধন তথ্যাবলী নির্ভুলকরণ এবং অপরাধমূলক লেনদেনের ঝুঁকি হ্রাসকল্পে এ ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। যাতে দেশের মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস এর সকল কার্যক্রম নিরাপদ ও কার্যকর করা যায়। এজন্য পাঁচ হাজার টাকা ক্যাশ ইন বা ক্যাশ আউট করলেই এজেন্ট কর্তৃক লেনদেনকারীর ছবি তুলে তা হিসাবের সঙ্গে সংরক্ষণ করার জন্য বলা হয়েছে।

তথ্যের গরমিল করে কেউ যাতে বিভিন্ন ধরনের অপব্যবহার ও অপরাধ সংঘটিত করতে না পারে এজন্য যেসব ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে তার মধ্যে রয়েছে- গ্রাহকের কেওয়াইসিতে প্রদত্ত তথ্যের সাঙ্গে সংশ্লিষ্ট সিমের নিবন্ধন তথ্যাবলী একই রকম এবং নির্ভুল করার লক্ষ্যে সব গ্রাহকের মোবাইল সিম আগামী ছয় মাসের মধ্যে নতুন করে বা পুনরায় রেজিস্ট্রেশন করতে হবে।
গ্রাহকদের দ্বারা নতুন করে বা পুনরায় রেজিস্ট্রেশন করার প্রামাণ্য কপি এজেন্টের মাধ্যমে সংগ্রহ করে তা যাচাই ও সংরক্ষণ করতে হবে।

গ্রাহকদের সিম নতুন করে বা পুনরায় রেজিস্ট্রেশন সফল করার লক্ষ্যে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় প্রচারণা কার্যক্রম গ্রহণের করতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। আর অপরাধমূলক লেনদেনের ঝুঁকি হ্রাস করার লক্ষ্যে ৫ হাজার টাকা বা তদুর্ধ্ব অংকের প্রতিটি লেনদেন সম্পাদনকালে সেবাদানকারী এজেন্ট কর্তৃক গ্রাহকের ছবি উত্তোলন করে তা সংশ্লিষ্ট লেনদেনের তথ্য হিসেবে সংরক্ষণ করতে বলা হয়েছে।

এ বিষয়ে মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস প্রদানকারী ব্যাংক বা সাবসিডিয়ারী প্রতিষ্ঠানগুলোর গৃহীত ব্যবস্থাদি আগামী ৩১ আগস্ট এবং পরবর্তী ছয় মাসে মাসিক ভিত্তিতে এ বিষয়ক অগ্রগতি প্রতিবেদন প্রেরণের (প্রতি মাসের বিবরণী পরবর্তী মাসের ১৫ তারিখের মধ্যে) জন্য নির্দেশ দেয়া হয়েছে।


আপনার মতামত

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*


Email
Print