মঙ্গলবার , ২৪ এপ্রিল ২০১৮
মূলপাতা » ফুটবল » আগামী সপ্তাহেই পিতৃভূমিতে যাচ্ছেন ওবামা

আগামী সপ্তাহেই পিতৃভূমিতে যাচ্ছেন ওবামা

obamaমার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা কেনিয়ায় তাঁর পিতৃভূমি সফরের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছেন। প্রেসিডেন্টকে বরণ করতে কেনিয়াতেও চলছে সাজ সাজ রব। সেখানে মার্কিন পতাকা বিক্রির ধুম পড়েছে।

১৯৯৫ সালে রাজনৈতিক ক্যারিয়ার শুরুর সময় নিয়ে নিজের স্মৃতিকথায় ওবামা লিখেছেন, ‘আমি যে ব্যথাটা অনুভব করছি, সেটা আমার বাবার ব্যথা। আমার যা প্রশ্ন তা আমার ভাইদেরও প্রশ্ন। তাঁদের জীবন সংগ্রাম ও জন্মাধিকার।’   এভাবে তিনি প্রতিনিয়ত যা স্মরণ করেন- পিতার সেই ঠিকানায় আগামী সপ্তাহে যাচ্ছেন এ মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ব্রিটেনের প্রভাবশালী দৈনিক দি গার্ডিয়ান ওবামার কেনিয়া সফরকে জেএফকের সঙ্গে তুলনা করে লিখেছে, ‘এ যেন জেএফকের আয়ারল্যান্ড ফিরে যাওয়া। পূর্ব আফ্রিকার এ দেশটি সবচেয়ে বেশি মার্কিন সামরিক সহায়তা পেয়ে থাকে। তবে সোমালিয়া থেকে আসা আল-শাবাব সন্ত্রাসী গ্রুপের নানা আগ্রাসনে দেশটি প্রায় জর্জরিত। তাই বারাক ওবামার সফরকে কেন্দ্র করে নেওয়া হয়েছে উচ্চতর নিরাপত্তা ব্যবস্থা।’

প্রশ্ন হচ্ছে, পিতার দেশ কেনিয়া সফরের সময় সেখানে তিনি আত্মীয় স্বজনদের সঙ্গে দেখা করবেন কিনা এবং তাঁর আত্মীয় কারা কারাই বা বেঁচে আছেন। শুধু এক প্রজন্মের মধ্যেই প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার পরিবার কেনিয়ার একটি সাধারণ গ্রাম থেকে হোয়াইট হাউজে পৌঁছে গেছে। প্রেসিডেন্টের দাদা হোসেইন ওনিয়ানগো ওবামা পশ্চিম কেনিয়ার কেন্দু বেতে ১৮৯৫ সালে জন্মগ্রহণ করেন। যদিও তাঁর নিজের গ্রাম ‘কগেলো’র কবরস্থানে লেখা রয়েছে ১৮৭০ সালের কথা। তিনি যখন ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন তখন তাঁর নামের সঙ্গে যুক্ত হয় হোসেইন। ওই সময় অর্থাৎ প্রথম বিশ্ব যুদ্ধের সময় তিনি ব্রিটিশ ঔপনিবেশকালে আফ্রিকান রাইফেলসের রাজার পোর্টার হিসেবে কাজ করতেন।

দাদা হোসেইন ওনিয়ানগো ওবামা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় কাজ করেছেন একজন ব্রিটিশ কর্মকর্তার পাচক হিসেবে। ওবামার পিতা বারাক ওবামা সিনিয়র জন্মগ্রহণ করেন ১৯৩৬ সালে। কেনিয়া যখন ১৯৬৩ সালে স্বাধীনতা লাভ করে তখন বারাক ওবামা সিনিয়র বেশ বড় হয়েছেন। স্মৃতিকথায় ওবামা লেখেন,  ‘হোসেইনের দ্বিতীয় স্ত্রী ছিলেন আকুমু। হোসেইনের তৃতীয় স্ত্রী ছিলেন সারাহ ওনিয়াগো ওবামা। কেনিয়াতে প্রেসিডেন্ট ওবামার যেসব আত্মীয়স্বজন বেঁচে আছেন- তাঁদের মধ্যে সবচেয়ে প্রবীণ হলেন সারাহ। ওবামা তাঁকে ‘গ্রেনি’ বলে ডাকেন। এই হলো দাদিমার কথ্য রূপ।’


আপনার মতামত

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*


Email
Print