বৃহস্পতিবার , ১৯ জুলাই ২০১৮
মূলপাতা » জ্ঞান-বিজ্ঞান » প্লুটোর আকাশে মহাকাশযান নিউ হরাইজনস

প্লুটোর আকাশে মহাকাশযান নিউ হরাইজনস

NASA-spacecraft-near-Plutoঅবশেষে শেষ হলো নয় বছরের লম্বা যাত্রা আর দীর্ঘ প্রতীক্ষা। মানুষের তৈরি মহাকাশযান নিউ হরাইজনস পৌঁছল প্লুটো-র আকাশে। এই ৯ বছরে নিউ হরাইজনস প্রায় ৫০০ কোটি (৫ বিলিয়ন) কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়েছে।

মঙ্গলবার সন্ধ্যাবেলায় ঘণ্টায় ৪৫,০০০ কিলোমিটার বেগে ধাবমান নিউ হরাইজনস উড়ে গেল প্লুটো থেকে ১২,৫০০ কিলোমিটার দূর দিয়ে। যেতে যেতে প্লুটোর ছবি তুলল এবং সে ছবি পাঠালো পৃথিবীতে। দারুণ উল্লসিত মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা-র বিজ্ঞানীরা। নাসা’র মহাপরিচালক চার্লি বোল্ডেন বললেন ‘‘আজ আমাদের দারুণ গর্বের দিন,’’।

তবে বিজ্ঞানীরা নিউ হরাইজনস-এর পাঠানো ছবি সাথে সাথে পাচ্ছেন না। ছবি পৌঁছতে কমপক্ষে সাড়ে ৪ ঘন্টা সময় লাগছে। এটা অসম্ভব দূরত্বের জন্য। কারণ বেতার যোগাযোগেও (যার বেগ সেকেন্ডে ৩০০,০০০ কিলোমিটার) প্লুটো থেকে পৃথিবীতে সঙ্কেত পৌঁছতে লাগছে প্রায় সাড়ে চার ঘণ্টা।

নিউ হরাইজনস এর পাঠানো ছবিতে প্রথম যে ধারণা পাওয়া গেল, সেটা হল আমরা আগে যত ছোট মনে করা হ’ত প্লুটো তার চেয়ে অনেক বড়। কিছু ছবিতে ধারণা হয় প্লুটোর গায়ে বরফ আছে। আবার বেশ কিছু ছবিতে দেখা যাচ্ছে প্লুটোর গায়ে লাল-লাল দাগ। ওই দাগ ছাড়াও প্লুটোর গায়ে দেখা যাচ্ছে উপত্যকা, পাহাড় কিংবা খাদের অস্তিত্ব।


আপনার মতামত

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*


Email
Print