সোমবার , ২৩ এপ্রিল ২০১৮
মূলপাতা » টেনিস » বিশ্ব ব্যাংক অনেক যন্ত্রণা দিয়েছে: প্রধানমন্ত্রী

বিশ্ব ব্যাংক অনেক যন্ত্রণা দিয়েছে: প্রধানমন্ত্রী

Hasina-02-1425795205‘বিশ্ব ব্যাংক এক সময় পদ্মা সেতু নিয়ে অনেক যন্ত্রণা দিয়েছে’ বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

রোববার (১২ জুলাই) রাজধানীর খামারবাড়ী কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে ‘বিশ্ব পরিবেশ দিবস ও পরিবেশ মেলা ২০১৫’ এবং ‘জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলা ২০১৫’ এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।

এবারের বৃক্ষরোপন অভিযানের প্রতিপাদ্য হলো ‘পাহাড়, সমতল, উপকূলে গাছ লাগাই সবাই মিলে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘পদ্মা সেতু নিয়ে বিশ্ব ব্যাংক এক সময় আমাদের অনেক যন্ত্রণা দিয়েছে। কিন্তু ঘোষণা দিয়েছিলাম অন্যের উপর নির্ভরশীল হয়ে না, কারও কাছে হাত পেতে নয়, আমরা নিজের পায়ে দাঁড়াবো, নিজেরা আমরা নিজেদেরকে উন্নত করবো।’

পরিবেশ ও বনমন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জুর বক্তব্যের জের ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, মন্ত্রী বলেছেন দাতা সংস্থা। আমি এখানে একটু সংশোধন করতে চাই। আমি কিন্তু কখানো দাতা বলি না। তারা আমাদের উন্নয়ন সহযোগী, ‘ডেভেলপমেন্ট পার্টনার’। আমরা কারও কাছে ভিক্ষা নেই না। আমরা টাকা ঋণ নেই এবং সুদসহ পরিশোধ করি। কাজেই তারা দাতা নন।

বাংলাদেশ কারও কাছে মাথা নত করে না উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, আমরা মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ী জাতি। বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিকের সব সময় এ কথা মাথায় রেখে চল‍া উচিৎ, আমরা মাথা নত করি না।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, এই দেশ আমাদের। আমরা সরকার চালাই নিজেদের স্বার্থে নয়, দেশের স্বার্থে-মানুষের স্বার্থে, জনগণের কল্যাণে। জনকল্যাণে কাজ করলে যে দেশকে উন্নত করা যেতে পারে তা ইতোমধ্যে আমরা প্রমাণ করেছি। আমরা নিম্ন মধ্যম আয়ের ঘোষণা পেয়েছি। কিন্তু এই নিম্ন আমরা থাকতে চাই না। আমরা সবার সহযোগিতায় উচ্চে উঠতে চাই।

তিনি বলেন, আমি মনে করি মানুষের মধ্যে যদি আস্থা ও বিশ্বাস থাকে, তবে যেকোনো অসাধ্য সাধন করা যায়। জাতির পিতা বলেছিলেন, ‘বাংলাদেশকে কেউ দাবায়ে রাখতে পারবে না’। আমরা বাংলাদেশকে ক্ষুধামুক্ত, দারিদ্র মুক্ত, সোনার বাংলা হিসেবে গড়ে তুলবো।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী জাতীয় পরিবেশ পদক, বঙ্গবন্ধু অ্যাওয়ার্ড ফর ওয়াইল্ড লাইফ কনজারভেশন, বৃক্ষরোপণে প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় পুরস্কার এবং সামাজিক বনায়নে অংশগ্রহণকারী সর্বোচ্চ লভ্যাংশ প্রাপ্তদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।

উদ্বোধনী ‍বক্তব্য শেষে প্রধানমন্ত্রী ইনস্টিটিউট প্রাঙ্গণে একটি গাছের চারা রোপন করেন। পরে তিনি বঙ্গবন্ধু আর্ন্তজাতিক সম্মেলন কেন্দ্রের পাশে পরিবেশ মেলা ও বৃক্ষ মেলার উদ্বোধন করেন।


আপনার মতামত

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*


Email
Print