রবিবার , ২২ জুলাই ২০১৮
মূলপাতা » জাতীয় » বান্দরবানে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি, রামুতে ৩ জনের মৃত্যু

বান্দরবানে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি, রামুতে ৩ জনের মৃত্যু

flood1435307119গত ছয় দিনের টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে বান্দরবানের বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। জেলার বিভিন্ন এলাকায় পাহাড় ধস অব্যাহত রয়েছে। প্রবল বর্ষণে প্রধান প্রধান সড়ক প্লাবিত হওয়ায় দ্বিতীয় দিনের মতো বান্দরবানের সঙ্গে সারাদেশের সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, কয়েক দিনের টানা বর্ষণে বান্দরবান শহরের উজানী পাড়া, মধ্যম পাড়া, নোয়াপাড়া, মেম্বর পাড়া, বনানী ‘স’ মিল এলাকা, আল ফারুক স্কুল, আর্মিপাড়া, ওয়াবদা ব্রিজ, শেরে বাংলা নগর, বালাঘাটা, কালাঘাটা, ইসলামপুর, কাসেম পাড়া, অফিসার্স ক্লাব এলাকা, ক্যাচিং পাড়াসহ কয়েকটি এলাকার কয়েক হাজার ঘরবাড়ি পানিতে তলিয়ে গেছে। এসব এলাকার রাস্তাঘাট পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় বান্দরবান সদরের সঙ্গে লামা, আলীকদম নাইক্ষ্যংছড়ি এবং রুমা উপজেলার সড়ক যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। প্লাবিত এলাকার মানুষ বিভিন্ন বিদ্যালয় ও আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছে।

টানা বর্ষণে জীবনযাত্রা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। স্থবির হয়ে পড়েছে জেলার ব্যবসা বাণিজ্য। লামা বাজার এলাকাসহ নিম্নাঞ্চলের প্রায় ছয় জার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। আলীকদম উপজেলার বাজার এলাকা, উপজেলা পরিষদ, থানা এলাকা এবং চৈক্ষ্যং ইউনিয়নে প্রায় ১২শ’ পরিবার পানিবন্দি রয়েছে। তবে তাদের ১৫টি নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। দুর্যোগ মোকাবেলায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে পাহাড়ে ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে বসবাসকারীদের নিরাপদ স্থানে সরে যেতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

এছাড়া নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলায় ১৫-১৬ হাজার পরিবার পানিবন্দি অবস্থায় রয়েছে। তাদের ২৫টি নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে নেয়া হয়েছে। থানচি উপজেলার প্রায় ১শ’ পরিবারকে নিরাপদ আশ্রয়ে নেয়া হয়েছে।

 

অন্যদিকে

কক্সবাজারের রামুতে পাহাড়ি ঢলে ভেসে তিনজন মারা গেছেন। নিখোঁজ রয়েছেন আরো দুইজন।

শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। রামুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাসুম হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের নাম জানা যায়নি।

 


আপনার মতামত

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*


Email
Print