মঙ্গলবার , ২৪ এপ্রিল ২০১৮
মূলপাতা » কলেজ » এসএসসিতে পাসের হার ও জিপিএ-৫ কমেছে

এসএসসিতে পাসের হার ও জিপিএ-৫ কমেছে

ssc hscগত বছরের তুলনায় এবার এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় গড় পাসের হার ও জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে। হরতাল-অবরোধের কারণে গত বছরের তুলনায় এবার ফল আশানুরূপ হয়নি বলে দাবি করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও শিক্ষামন্ত্রী।

এবার এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় দশ বোর্ডে গড় পাসের হার ৮৭ দশমিক ০৪ শতাংশ। গত বছর এ হার ছিলো ৯১ দশমিক ৩৪ শতাংশ। এবার পাসের হার ৪ দশমিক ৩০ শতাংশ কম।

মোট জিপিএ-৫ পেয়েছে এক লাখ ১১ হাজার ৯০১ জন। গত বছর এ সংখ্যা ছিলো এক লাখ ৪২ হাজার ২৭৬ জন। এবার জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে ৩০ হাজার ৩৭৫ জন।

মাধ্যমিক স্তরের এ পরীক্ষায় ১৪ লাখ ৭৩ হাজার ৫৯৬ জন পরীক্ষা দিয়ে মোট পাস করেছে ১২ লাখ ৮২ হাজার ৬১৮ জন।

শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বোর্ড চেয়ারম্যানদের সঙ্গে নিয়ে শনিবার সকাল ১০টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে ফলাফলের সার-সংক্ষেপ হস্তান্তর করেন।

ফল হস্তান্তরের পর শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এবার এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় দশ বোর্ডে গড় পাসের হার ৮৭ দশমিক ০৪ শতাংশ। মোট জিপিএ পেয়েছে এক লাখ ১১ হাজার ৯০১ জন। ১৪ লাখ ৭৩ হাজার ৫৯৬ জন পরীক্ষা দিয়ে মোট পাস করেছে ১২ লাখ ৮২ হাজার ৬১৮ জন শিক্ষার্থী।

তিনি বলেন, এসএসসিতে পাসের হার ৮৬ দশমিক ৭২, মাদ্রাসা বোর্ডে ৯০ দশমিক ২০ ও কারিগরি বোর্ডে পাসের হার ৮৩ দশমিক ০১। বিদেশের আটটি কেন্দ্রে পাসের হার ৯৭ দশমিক ৬৬। এবার শতভাগ পাস প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ৫ হাজার ৯৭টি।

হরতাল-অবরোধের কারণে গত বছরের তুলনায় ফল আশানুরূপ হয়নি বলে দাবি করেছেন শিক্ষামন্ত্রী। একই কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রীও।

শিক্ষামন্ত্রী দুপুর ১টায় সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল প্রকাশ করবেন।

সংবাদ সম্মেলনের পর দুপুর ২টা থেকে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন মাধ্যমে ফল জানতে পারবে। শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইট ছাড়াও www.educationboardresults.gov.bd ঠিকানায় ফলাফল পাওয়া যাবে। মোবাইল ফোনে এসএমএসের মাধ্যমেও ফলাফল জানা যাবে।

মোবাইল থেকে ফলাফল জানতে মেসেজ অপশনে গিয়ে পরীক্ষার নাম (ssc/alim/tec) লিখে স্পেস দিয়ে ইংরেজিতে বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর লিখে স্পেস দিয়ে রোল নম্বর লিখে স্পেস দিয়ে পাসের সন ২০১৫ লিখে ১৬২২২ নম্বরে পাঠাতে হবে। ফিরতি মেসেজে ফলাফল জানানো হবে।

মোট ৩ হাজার ১১৬টি কেন্দ্রে ২৭ হাজার ৮০৮টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা দিয়েছে।

২ ফেব্রুয়ারি এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা থাকলেও হরতালের কারণে তা শুরু হয় ৬ ফেব্রুয়ারি। হরতালে সব (১৬ দিন) পরীক্ষা পেছানো হয়। শুক্র ও শনিবার সাপ্তাহিক ছুটির দিনে এ পরীক্ষাগুলো নেওয়া হয়।

এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা ১০ মার্চ শেষ হওয়ার কথা থাকলে তা শেষ হয় ৩ এপ্রিল।


আপনার মতামত

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*


Email
Print