সোমবার , ২৩ এপ্রিল ২০১৮
মূলপাতা » ফুটবল » রোহিঙ্গাদের দায় নিতে অস্বীকার মায়ানমারের

রোহিঙ্গাদের দায় নিতে অস্বীকার মায়ানমারের

rohngaদক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অভিবাসী সমস্যার দায় নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে মায়ানমার সরকার। যদিও সেখানে বছরের পর বছর ধরে রোহিঙ্গা মুসলিমরা নির্যাতিত হচ্ছে।

শুক্রবার (২৯ মে) ব্যাংককে ১৭ দেশের প্রতিনিধিদের নিয়ে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অভিবাসী সমস্যা নিয়ে অনুষ্ঠেয় বৈঠকে যোগ দিতে গিয়ে মায়ানমারের প্রতিনিধি দলের প্রধান টেইন লিন এ কথা জানান।

বৈঠকে লিন জানান, রোহিঙ্গা মুসলিমদের বিষয়ে তার দেশ কোনো দায়-দায়িত্ব নেবেনা। এমনকি এ বিষয় তাদের কেউ দোষ দিলে তা তারা স্বীকারও করবে না। সেখানে পুরো এশিয়া অঞ্চলের সমস্যা নিয়ে আলোচনা করবেন তারা।

এদিকে, সম্প্রতি নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের রুদ্ধদ্বার বৈঠকে মায়ানমারের মানবাধিকার বিষয়ে আলোচনা হয়।

সেখানে জাতিসংঘের মানবাধিকার প্রধান জায়েদ রাদ ‍আল হুসেইন বলেন, মায়ানমারের আরাকান রাজ্যে এক দশমিক তিন মিলিয়ন রোহিঙ্গা মুসলিমরা রাষ্ট্রীয়ভাবে বৈষম্যের শিকার হচ্ছে। আর এসব রোহিঙ্গা চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত।

তিনি যখন এ মন্তব্য করেন, তখন  বঙ্গোপসাগর ও আন্দামান সমুদ্রে সাগরে ভাসছেন কয়েক হাজার অভিবাসী। এদের মধ্যে নির্যাতিত রোহিঙ্গা ছাড়াও ভাগ্য পরিবর্তনপ্রত্যাশী বাংলাদেশিরাও আছেন।

‍প্রিন্স জায়েদ বলেন, রোহিঙ্গারা একশ বছর ধরে মায়ানমারে বসবাস করলেও তাদের মৌলিক অধিকার ও নাগরিকত্ব দিতে অস্বীকার করে আসছে মায়ানমার।

এসব সমস্যার মূল কারণ উদঘাটন করে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া দরকার বলেও মনে করেন তিনি।

ওই বৈঠকে অনেক দেশ ও বিশ্ব নেতারা মায়ানমারকে এ সমস্যার সমাধানের জন্য আহ্বান জানিয়েছেন।

এদিকে, থাইল্যান্ডের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী তানাসাক পাতিমাপাগর্ন বলেন, এখানে কোনো রকম দোষারোপ করার সুযোগ নেই। এ বিষয়ে মায়ানমারকে দৃশ্যমান ব্যবস্থা নিতে আঞ্চলিক চুক্তির মধ্যে আনতে হবে।

শুক্রবার আসিয়ানভুক্ত দেশ মায়ানমার, থাইল্যান্ড ও ইন্দোনেশিয়া ছাড়াও বাংলাদেশের প্রতিনিধিদের নিয়ে ব্যাংককে আঞ্চলিক বৈঠক শুরু হয়েছে।

এতে মোট ১৭টি দেশের প্রতিনিধিরা অংশ নিচ্ছে। ইউএনএইচসিআর, আইওএমসহ আরো বেশ কয়েকটি দেশ এ বৈঠকে অংশ নিচ্ছে।


আপনার মতামত

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*


Email
Print