শনিবার , ২১ এপ্রিল ২০১৮
মূলপাতা » প্রধান খবর » নতুন করে ধস,পান্থপথ-সিআর দত্ত সড়ক বন্ধ

নতুন করে ধস,পান্থপথ-সিআর দত্ত সড়ক বন্ধ

hotel sundarba buildingরাজধানীর সার্ক ফোয়ারা ও হোটেল সুন্দরবন সংলগ্ন নির্মাণাধীন ন্যাশনাল ব্যাংক টুইন টাওয়ার ভবনের পাইলিংয়ের উত্তর-পূর্ব কোনার পুরো অংশ ধসে যাওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই ধসে পড়লো তিনটি বিশাল আকৃতির বিলবোর্ড।

বৃহস্পতিবার রাত দশটা ১৫ মিনিটে নির্মানাধীন ভবনটির বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক সংলগ্ন একটি বিলবোর্ড এবং পান্থপথ সংলগ্ন রাস্তার পার্শ্ববর্তী আরও দু’টি বিলবোর্ড ধসে পড়ে। এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। বিলবোর্ড তিনটি উপড়ে পড়ার সময় আতঙ্কিত মানুষ দৌড়ে নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যান। বর্তমানে নির্মাণাধীন ভবন সংলগ্ন দু’টি রাস্তা দিয়েই যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।

এর আগে বৃহস্পতিবার (২৮ মে) রাত পৌনে ৯টার দিকে রাজধানীর সোনারগাঁও রোডের (বীর উত্তম সি আর দত্ত রোড) সুন্দরবন হোটেল সংলগ্ন নির্মাণাধীন ভবনের উত্তর-পূর্ব কোণার পুরো অংশ ধসে যায়। এ সময় ঝুঁকিপূর্ণ বিবেচনায় সার্ক ফোয়ারা থেকে পান্থপথের দিকের রাস্তা সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেওয়া হয়। এতে সৃষ্টি হয় তীব্র যানজট।

বিলবোর্ডগুলো ধসে পড়ার ব্যাপারে ঘটনাস্থলে উপস্থিত ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আনিসুল হক বলেন, আমি সকালেই পরিদর্শনে এসে বলেছিলাম যাতে বিলবোর্ডগুলো এখান থেকে যত দ্রুত সম্ভব উঠিয়ে নেয়া হয়। এ অনুযায়ী সিটি কর্পোরেশনের কর্মীরা চেষ্টাও করে যাচ্ছিলেন। কিন্তু রাতেই বিলবোর্ডগুলো ভেঙ্গে পড়লো।

এছাড়া নির্মাণাধীন ভবনের উত্তর-পূর্ব কোনের পাইলিং ধসের ব্যাপারে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আবদুর রহমান বাংলানিউজকে বলেন, শুরুতেই নির্মাণাধীন ভবনের পাইলিংয়ের অংশ ধসে যায়, এতে আশপাশের সবগুলো অংশ দুর্বল হয়ে পড়ে। যে কারণে রাতের এই ধসটি (উত্তর-পূর্ব অংশ) ঘটলো।

রাস্তা বন্ধ প্রসঙ্গে তেজগাঁও জোনের (ট্রাফিক) সহকারী পুলিশ কমিশনার বলেন, ফায়ার সার্ভিস যেহেতু বলেছে এটি ঝুঁকিপূর্ণ তাই রাস্তা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

ঢাকা সিটি করপোরেশন উত্তরের প্রধান প্রকৌশলী ফিরোজুর রহমান বলেন, এখন যে অবস্থা দেখা যাচ্ছে তাতে পুরো রাস্তাটাই ঝুঁকির মুখে আছে। এ জন্য দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে। যেন আর ধস না বাড়ে এবং রাস্তাও ঠিক থাকে। না হলে পুরো অংশ দেবে যেতে পারে।

এর আগে নির্মাণাধীন ভবনের ‘উত্তর-পূর্ব’ দিককে আগে থেকেই ঝুঁকিপূর্ণ উল্লেখ করেন ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের পরামর্শক কামরুল বারী।

উল্লেখ্য, বুধবার (২৭ মে) রাত থেকে সুন্দরবন হোটেলের পূর্ব-দক্ষিণে বালু ফেলা হয়। ফলে ওই অংশ হয় ঝুঁকিমুক্ত। তবে সার্ক ফোয়ারা থেকে পশ্চিম দিকে যেতে নির্মাণাধীন ওই ভবনের উত্তর-পূর্ব কোণটা ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। যা এবার ধসে গেলো।

বুধবার (২৭ মে) সকালে রাজধানীর সার্ক ফোয়ারা সংলগ্ন নির্মাণাধীন এনবিএল ভবনের একাংশ ধসে পড়ে।


আপনার মতামত

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*


Email
Print