বুধবার , ২৫ এপ্রিল ২০১৮
মূলপাতা » ক্রিকেট » আমারও বয়স বাড়ছে : মুশফিকুর রহিম

আমারও বয়স বাড়ছে : মুশফিকুর রহিম

347996-rahim-mushfiqur-odi-playচ্যালেঞ্জটা তো অবশ্যই অনেক বড়। এটা স্বাভাবিক। বিশ্বকাপে ভালো খেলার পর প্রত্যাশা অনেক বেড়ে গেছে। নিজেদের হোম গ্রাউন্ডে সবাই চায় অভিয়াসলি ভালো খেলতে। লাস্ট সিরিজটা অনেক ভালো গেছে। হ্যাঁ, লাস্ট টেস্টটা আমরা হেরে গেছি। কিন্তু ওভারঅল পাকিস্তানের মতো শক্ত দলের বিপক্ষে আমরা ভালো ক্রিকেট খেলেছি। সেদিক থেকে বলবো… ইন্ডিয়া স্ট্রং টিম পাঠাচ্ছে। আমরাও ভালো করছি। আমার মনে হয়, আমরা যদি তিনটা ডিপার্টমেন্টে ভালো করতে পারি, এই সিরিজটা অনেক ভালো হবে।

এখন আপাতত ইনজুরিটা… আপাতত ব্যাটিং আর স্কিল বাদে রানিং করছি। আশা করছি… শুক্রবার আমার সাত দিন হয়ে যাবে। তারপর শনিবার আবার অ্যাসেস করে শনিবার থেকে ব্যাট করতে পারবো। তবে কিপিংটা করতে আরও কয়েকদিন হয়তো লেগে যাবে। আশা করছি ১০ তারিখের মধ্যে হয়তোবা শতভাগ ফিট হওয়ার চেষ্টা করবো।
এটা আসলে আমি সবসময়ই বলি, এখানে পারসোনাল ডিসিশনের কিছু নেই। এটা বাংলাদেশ জাতীয় দলের ব্যাপার। এখানে টিম ম্যানেজমেন্ট আছে, টিম ম্যানেজমেন্টের একটা প্লান থাকে। সেই অনুযায়ীই আমরা টিম সেট আপ করি এবং সেই অনুযায়ীই ১৫ সদস্য বা বেস্ট ইলেভেন সিলেক্ট করা হয়। তো কোচ এখনও আসেনি। কোচ এলে তার সঙ্গে আলাপ করে আমি ঠিক করবো, আমার পরের প্লান কী হবে, টিম কম্বিনেশন কী হবে। আশা করি, দু-তিন দিনের ভেতর কোচ চলে আসবে। তারপর আমরা ঠিক করতে পারবো।
আসলে খারাপ হলে তখন সবাই কথা বলবে। আপনার কাছ থেকে যখন ফিফটি বা হান্ড্রেড আশা করবে, সেটা না হলে বা ক্যাচ ড্রপ হলে কথা হয়। নইলে আগেও তো আমি তিনটিই করেছি। ভালোও করেছি। তখন এসব কথা হয়নি। তবে আমার এটাও বুঝতে হবে যে, আই অ্যাম গেটিং ওল্ডার অলসো। দশ বছর কেটে গেল। আগের মতো সেই ফিটনেস হয়তো আমার আর নেই। আমি দেখবো, যদি এমন হয় যে, একটা ভূমিকাতে আমি টিমকে বেশি দিতে পারছি, সেটাই কেন নয়? আবার তিন ভূমিকাতেও পারলে সেটা হতে পারে। সব নির্ভর করে টিম ম্যানেজমেন্টের ওপর। তাদের সঙ্গে কথা বলেই ঠিক করবো।

চিন্তা থাকাটা স্বাভাবিক। আমাদের এই হোম কন্ডিশনে এমনিতেই পেস বোলারদের কিছু করাটা কঠিন। এখানে যে কোনো বোলিং গ্রুপের পক্ষে ২০টা উইকেট নেওয়া কঠিন। তারপরও শহীদ গত টেস্টে ভালো বল করেছে। রুবেল আশা করছি ফিট হয়ে যাবে। এ ছাড়া কিছু বোলার আছে—আবুল আছে, তারা যদি ভালো করতে পারে, আমি বিশ্বাস করি, ভারতীয় পেসারদের সঙ্গে সমান তালে লড়াই করতে পারবে।  এখনও মনে হচ্ছে, দশ বছর আগেই আছি। সত্যি বলতে, আমি প্রতিটা ম্যাচ খেলার সময় প্রথম ম্যাচের মতো আনন্দ পাই। আবার প্রতিটা ম্যাচকেই শেষ ম্যাচ ভাবি—এরপর আর খেলার সুযোগ নাও হতে পারে। দশ বছরে অনেক চড়াই-উতরাই ছিলো। এই সময়ে আমার পরিবার, বন্ধুরা সবসময় আমার পাশে ছিলেন। আশা করি, বাকি যে কয়টা বছর খেলতে পারবো, তারা পাশে থাকবে। আর গত দু-তিন বছর ধরে যেমন ভালোভাবে খেলছি, সেটা যেন ধরে রাখতে পারি।


আপনার মতামত

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*


Email
Print