রবিবার , ২৪ জুন ২০১৮
মূলপাতা » প্রধান খবর » মেসির গোলে শিরোপা বার্সার

মেসির গোলে শিরোপা বার্সার

barcelonaভিসেন্তে কালদেরনে যেন মঞ্চ প্রস্তুত করাই ছিল। স্বাগতিক অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদকে হারাতে পারলেই লা লিগা চ্যাম্পিয়নশিপের মুকুট পরবে বার্সেলোনা। কাংখিত সেই মাহেন্দ্রক্ষটিই এসে গেল লিওনেল মেসির একমাত্র গোলে। অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদকে ১-০ গোলে হারিয়ে এক ম্যাচ হাতে রেখেই লা লিগার শিরোপা জিতে নিলো লিওনেল মেসি-নেইমার ডি সিলভাদের দল বার্সা।

গত সপ্তাহেই চার পয়েন্টের ব্যবধান তৈরী করে দিয়েছিল রিয়াল মাদ্রিদ, ভ্যালেন্সিয়ার সঙ্গে ২-২ গোলে ড্র করার পর। এ কারণেই মূলতঃ অ্যাটলেটিকোর বিপক্ষে ৩৭তম রাউন্ডের এই ম্যাচটিতে বার্সার সামনে ছিল শিরোপা জয়ের হাতছানি। এই ম্যাচে জিতলে বাকি থাকবে আর একটি ম্যাচ। ওটাতে হারলেও আর চিন্তা নেই। বার্সাকে আর ছুঁতে পারবে না লজ ব্লাঙ্কোজরা।

দিনের অন্য ম্যাচে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর হ্যাটট্রিকেও কোন লাভ হলো না রিয়াল মাদ্রিদের। এস্পানিওলকে ৪-১ ব্যবধানে হারালেও বার্সেলোনার পেছনে থেকেই লিগ শেষ করতে হচ্ছে কার্লো আনচেলত্তির শিষ্যাদের।

এ নিয়ে লা লিগায় ২৩তম শিরোপা জিতল বার্সেলোনা। সর্বোচ্চ ৩২বার লা লিগার শিরোপা ঘরে তুলেছে রিয়াল মাদ্রিদই। তবে ২০১১-১২-এর পর গত তিন মৌসুম রিয়াল শিরোপা বঞ্চিত। গত মৌসুমে রিয়াল-বার্সা দু’দলকেই পেছনে ফেলে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ। এবার লা লিগা শিরোপা জয় করে ট্রেবল জয়ের পথে একধাপ এগিয়ে গেল লুই এনরিকের শিষ্যরা।

ভিসেন্তে কালদেরনে অ্যাটলেটিকোর বিপক্ষে সত্যিই কঠিন এক পরীক্ষা ছিল বার্সেলোনার সামনে। লিওনেল মেসি নামক ফুটবল জাদুকরের কাঁধেচড়ে শেষ পর্যন্ত কঠিন এ পরীক্ষায় পাশ করাই নয় শুধু, লা লিগার শিরোপাও নিশ্চিত করে ফেলল কাতালানরা।

৬৫ মিনিটেই আসে বার্সেলোনার কাংখিত গোলটি। পেদ্রো রদ্রিগেসের সঙ্গে বল দেওয়া-নেওয়া করে ডি-বক্সের ভেতর থেকে বাঁ পায়ের অসাধারণ কোনাকুনি এক শটে অ্যাটলেটিকো গোলরক্ষক ইয়ান ওবলাককে পরাস্ত করে বল জালে পাঠান মেসি। লিগে এটি তার ৪১তম গোল।

তবে পুরোটা সময় বার্সার রক্ষণভাগে বেশ চাপ সৃষ্টি করতে পেরেছিল অ্যাটলেটিকো। শুরুতে বার্সাকে কাঁপিয়ে দেয় অ্যাটলেটিকো। প্রথম আট মিনিটে অন্তত দুইবার বার্সেলোনাকে পিছিয়ে পড়া থেকে বাঁচান চিলিয়ান গোলরক্ষক ক্লদিও ব্রাভো।

messi2বিপজ্জনক জায়গায় ফ্রি-কিক ও পরপর কয়েকটি কর্নারে রক্ষণ সামলাতে ঘাম ঝরাতে হয় লুইস এনরিকের শিষ্যদের। আন্তোনিও গ্রিজমানের তীব্র গতির হাফ-ভলি ঠেকিয়ে দেন গোলরক্ষক ব্রাভো। এরপর কর্নার থেকে স্বাগতিকদের আরেকটি প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে দেন তিনি।

বার্সেলোনা প্রথম ভালো সুযোগটি পায় ১৩তম মিনিটে। দানি আলভেসের ক্রসে মেসির হেড সরাসরি ইয়ান ওবলাকের গ্লাভসে জমা পড়লে সেই প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়ে যায়। ৩৩তম মিনিটে ডি-বক্সের ঠিক বাইরে ফ্রি-কিক পায় বার্সেলোনা। মেসির শট ক্রসবারে ছুঁয়ে বাইরে গেলে বেঁচে যায় আতলেতিকো।

৪৫তম মিনিটে আবার সুযোগ আসে বার্সেলোনার সামনে। আচমকা দূরপাল্লার শটে স্বাগতিকদের প্রতিরোধ ভাঙতে চেয়েছিলেন আলভেস। বিরতির পর প্রথম সুযোগটি পেয়েছিল আতলেতিকোই। ৫৫তম মিনিটে ফার্নান্দো তোরেসকে হতাশ করেন বার্সেলোনার গোলরক্ষক ব্র্যাভো। এরপর দশ মিনিট পর মেসির দারুণ গোলে এগিয়ে যায় অতিথিরা।

খেলার শেষ দিকে বেশ আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠেন মেসি-নেইমাররা। যে কারণে ইনজুরি সময়ে মেসি-নেইমার দু’জনই হলুদ কার্ড দেখেন।

লদেরনে যেন মঞ্চ প্রস্তুত করাই ছিল। স্বাগতিক অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদকে হারাতে পারলেই লা লিগা চ্যাম্পিয়নশিপের মুকুট পরবে বার্সেলোনা। কাংখিত সেই মাহেন্দ্রক্ষটিই এসে গেল লিওনেল মেসির একমাত্র গোলে। অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদকে ১-০ গোলে হারিয়ে এক ম্যাচ হাতে রেখেই লা লিগার শিরোপা জিতে নিলো লিওনেল মেসি-নেইমার ডি সিলভাদের দল বার্সা।

গত সপ্তাহেই চার পয়েন্টের ব্যবধান তৈরী করে দিয়েছিল রিয়াল মাদ্রিদ, ভ্যালেন্সিয়ার সঙ্গে ২-২ গোলে ড্র করার পর। এ কারণেই মূলতঃ অ্যাটলেটিকোর বিপক্ষে ৩৭তম রাউন্ডের এই ম্যাচটিতে বার্সার সামনে ছিল শিরোপা জয়ের হাতছানি। এই ম্যাচে জিতলে বাকি থাকবে আর একটি ম্যাচ। ওটাতে হারলেও আর চিন্তা নেই। বার্সাকে আর ছুঁতে পারবে না লজ ব্লাঙ্কোজরা।

দিনের অন্য ম্যাচে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর হ্যাটট্রিকেও কোন লাভ হলো না রিয়াল মাদ্রিদের। এস্পানিওলকে ৪-১ ব্যবধানে হারালেও বার্সেলোনার পেছনে থেকেই লিগ শেষ করতে হচ্ছে কার্লো আনচেলত্তির শিষ্যাদের।

এ নিয়ে লা লিগায় ২৩তম শিরোপা জিতল বার্সেলোনা। সর্বোচ্চ ৩২বার লা লিগার শিরোপা ঘরে তুলেছে রিয়াল মাদ্রিদই। তবে ২০১১-১২-এর পর গত তিন মৌসুম রিয়াল শিরোপা বঞ্চিত। গত মৌসুমে রিয়াল-বার্সা দু’দলকেই পেছনে ফেলে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ। এবার লা লিগা শিরোপা জয় করে ট্রেবল জয়ের পথে একধাপ এগিয়ে গেল লুই এনরিকের শিষ্যরা।

ভিসেন্তে কালদেরনে অ্যাটলেটিকোর বিপক্ষে সত্যিই কঠিন এক পরীক্ষা ছিল বার্সেলোনার সামনে। লিওনেল মেসি নামক ফুটবল জাদুকরের কাঁধেচড়ে শেষ পর্যন্ত কঠিন এ পরীক্ষায় পাশ করাই নয় শুধু, লা লিগার শিরোপাও নিশ্চিত করে ফেলল কাতালানরা।

৬৫ মিনিটেই আসে বার্সেলোনার কাংখিত গোলটি। পেদ্রো রদ্রিগেসের সঙ্গে বল দেওয়া-নেওয়া করে ডি-বক্সের ভেতর থেকে বাঁ পায়ের অসাধারণ কোনাকুনি এক শটে অ্যাটলেটিকো গোলরক্ষক ইয়ান ওবলাককে পরাস্ত করে বল জালে পাঠান মেসি। লিগে এটি তার ৪১তম গোল।

তবে পুরোটা সময় বার্সার রক্ষণভাগে বেশ চাপ সৃষ্টি করতে পেরেছিল অ্যাটলেটিকো। শুরুতে বার্সাকে কাঁপিয়ে দেয় অ্যাটলেটিকো। প্রথম আট মিনিটে অন্তত দুইবার বার্সেলোনাকে পিছিয়ে পড়া থেকে বাঁচান চিলিয়ান গোলরক্ষক ক্লদিও ব্রাভো।

messi2বিপজ্জনক জায়গায় ফ্রি-কিক ও পরপর কয়েকটি কর্নারে রক্ষণ সামলাতে ঘাম ঝরাতে হয় লুইস এনরিকের শিষ্যদের। আন্তোনিও গ্রিজমানের তীব্র গতির হাফ-ভলি ঠেকিয়ে দেন গোলরক্ষক ব্রাভো। এরপর কর্নার থেকে স্বাগতিকদের আরেকটি প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে দেন তিনি।

বার্সেলোনা প্রথম ভালো সুযোগটি পায় ১৩তম মিনিটে। দানি আলভেসের ক্রসে মেসির হেড সরাসরি ইয়ান ওবলাকের গ্লাভসে জমা পড়লে সেই প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়ে যায়। ৩৩তম মিনিটে ডি-বক্সের ঠিক বাইরে ফ্রি-কিক পায় বার্সেলোনা। মেসির শট ক্রসবারে ছুঁয়ে বাইরে গেলে বেঁচে যায় আতলেতিকো।

৪৫তম মিনিটে আবার সুযোগ আসে বার্সেলোনার সামনে। আচমকা দূরপাল্লার শটে স্বাগতিকদের প্রতিরোধ ভাঙতে চেয়েছিলেন আলভেস। বিরতির পর প্রথম সুযোগটি পেয়েছিল আতলেতিকোই। ৫৫তম মিনিটে ফার্নান্দো তোরেসকে হতাশ করেন বার্সেলোনার গোলরক্ষক ব্র্যাভো। এরপর দশ মিনিট পর মেসির দারুণ গোলে এগিয়ে যায় অতিথিরা।

খেলার শেষ দিকে বেশ আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠেন মেসি-নেইমাররা। যে কারণে ইনজুরি সময়ে মেসি-নেইমার দু’জনই হলুদ কার্ড দেখেন।


আপনার মতামত

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*


Email
Print